সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে গুলি করেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল মতিউর আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর চীন থেকে বুলেট ট্রেন আনার কথা চলছে, ঘণ্টায় চলবে ৩৫০ কিলোমিটার কোন ডিসেম্বর আসবেন ক্লিয়ার করেন, শেখ হাসিনাকে হুইপ দুলু শিগগির শেষ হবে যুদ্ধ, কমবে তেলের দাম: ট্রাম্প আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুই ইউনিট থেকেই বাংলাদেশে সরবরাহ শুরু সরকার নাগরিকের বাক-স্বাধীনতা ও ব্যক্তিগত সুরক্ষার বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোদির নৈশভোজে অংশ নেননি চীনের প্রেসিডেন্ট স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: প্রতিমন্ত্রী সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে ট্রাইব্যুনালে পরিবারের লিখিত অভিযোগ

ঘরে যেখানে করোনাভাইরাস বে‌শি থাকতে পারে

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২০

ডেস্ক রিপোর্ট : করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে উপসর্গ দেখা দেবেই এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই। কিন্তু ভাইরাসটির সংক্রমণে উপসর্গ প্রকাশ পাক কিংবা না পেয়ে থাক, একজন রোগী করোনাভাইরাস ছড়িয়ে যান।

এ কারণে এই মহামারিতে পরিবারের সদস্য থেকেও নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা ও শেয়ারে জিনিস ব্যবহার না করা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ঘরে উপসর্গবিহীন কোভিড-১৯ রোগী থাকলে অন্যদের মধ্যেও ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়বে। এছাড়া এটা নতুন করে বলার প্রয়োজন নেই যে ঘরের কেউ করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হলে অথবা সংক্রমণটির উপসর্গ প্রকাশ পেলে আইসোলেশন জরুরি।

যার উপসর্গ নেই তিনি ভাবতে পারেন যে সংক্রমিত হননি। কিন্তু গবেষকদের মতে, এই মহামারিতে নিজেকে ১০০ শতাংশ নিরাপদ মনে করার সুযোগ নেই। গবেষণায় দেখা গেছে, কোভিড-১৯ এর ৪৫ শতাংশ কেসই উপসর্গবিহীন। অর্থাৎ ১০০ জন কোভিড-১৯ রোগীর মধ্যে ৪৫ জনের লক্ষণ প্রকাশ পায় না। উপসর্গযুক্ত কোভিড-১৯ রোগী অন্যদের মাঝে সরাসরি ভাইরাসটি ছড়িয়ে থাকেন, অর্থাৎ করোনাভাইরাস ছড়ানোর একটি প্রধান মাধ্যম হলো কাশি। অন্যদিকে উপসর্গবিহীন কোভিড-১৯ রোগী কাশে না বলে ভাইরাসটি সরাসরি ছড়ানোর সম্ভাবনা কম, কিন্তু তাদের ব্যবহৃত জিনিসে যে অসংখ্য ভাইরাস রয়েছে তা অন্যদের পরোক্ষভাবে সংক্রমিত করতে পারে।

ঘরের কোথায় সবচেয়ে বেশি করোনাভাইরাস থাকে তা নিয়ে সম্প্রতি একটি গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে। আমেরিকান সোসাইটি ফর মাইক্রোবায়োলজির এই গবেষণায় বিছানার বালিশ ও চাদরে উচ্চ পরিমাণে করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। গবেষকরা করোনাভাইরাস রোগীদের হাসপাতাল কক্ষ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে গবেষণা করেন। দেখা গেছে, ৪০ শতাংশ সারফেসই করোনাভাইরাসে দূষিত ছিল। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি করোনাভাইরাস পাওয়া গেছে বালিশ, বিছানার চাদর ও বেডরেইলে।

এসব নমুনা নেওয়া হয়েছে সেসব হাসপাতাল কক্ষ থেকে যেগুলোকে নার্সরা প্রতিদিন দু’বার পরিষ্কার ও ভাইরাসমুক্ত করতেন। তাহলে একবার ভাবুন তো, কোভিড-১৯ রোগীর যে কক্ষকে ভাইরাসমুক্ত করা হয়না তাতে কি পরিমাণে করোনাভাইরাস রয়েছে? ইমার্জিং ইনফেকশাস ডিজিজেসে প্রকাশিত একটি গবেষণায়ও হোটেল রুমের বালিশ ও বিছানার চাদরে সর্বোচ্চ পরিমাণে করোনাভাইরাস পাওয়া গেছে। উভয় গবেষণার গবেষকরাই বিছানাপত্রকে সঠিকভাবে পরিষ্কার ও ভাইরাসমুক্ত করার প্রতি জোর দিয়েছেন। ধরাবাঁধা নিয়ম না থাকলেও বিশেষজ্ঞদের মতে এই মহামারিতে দুই-তিন পরপর বিছানার চাদর ও বালিশের কভার ধুয়ে ফেলা উচিত।

লাইট নিউজ

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD