সাবেক স্বামীর ছুড়ে দেওয়া পেট্রোলের আগুনে ঝলসে যাওয়ার পর দীর্ঘ ১২ দিন চিকিৎসা শেষে মারা গেছেন গার্মেন্টস কর্মী সাথী আক্তার।
বুধবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২ টার দিকে শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সাথী। এর আগে ২৮ জানুয়ারি মধ্যরাতে সাবেক স্বামীর ছুড়ে দেওয়া পেট্রোলের আগুনে ঝলসে যায় সাথীর হাত-মুখ।
নিহত সাথীর বড় ভাই সোহেল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সাথীর বড় ভাই সোহেল হোসেন বলেন, জেলার সাটুরিয়া উপজেলার ধানকোড়া ইউনিয়নের ফেরাজীপাড়া-কাটাখালী এলাকার নিজ বাড়িতে মা এবং ছোট বোনকে সঙ্গে নিয়ে ঘুমিয়ে ছিলো সাথী। ২৮ জানুয়ারি মধ্যরাতে সাথীর সাবেক স্বামী নাঈম ভাঙা জানালা দিয়ে পেট্রোল ছুড়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে করে সঙ্গে সঙ্গে পুড়ে যায় সাথীর হাত-মুখ।
এরপর সাথীকে উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসার অবনতি হলে সাথীকে শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে রেফার্ড করেন হাসপাতালের চিকিৎসকেরা। সেখানে ১২ দিন জীবনের সঙ্গে যুদ্ধ করে হেরে যায় সাথী। হাসপাতাল থেকে আজ দুপুরের দিকে সাথীর মরদেহ নিয়ে গ্রামের উদ্দেশ্যে রওয়ানা করা হবে জানান সোহেল।
এদিকে সাথীকে পেট্রোল দিয়ে পুড়িয়ে মারার চেষ্টার দায়ে সাথীর সাবেক স্বামী নাঈমকে গ্রেপ্তার শেষে কারাগারে পাঠিয়েছে মানিকগঞ্জ র্যাব ৪, সিপিসি ৩ এর একটি অভিযানিক দল।