মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ০৩:০২ পূর্বাহ্ন

হোল্ডিং সেন্টার চালুর প্রথম দিনে আটক ১২ ‘বাংলাদেশি’

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬

রাজ্য সরকারের নির্দেশনা জারির ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে চালু হয়েছে হোল্ডিং সেন্টার। এর এক দিন পেরোতেই আটক করা হয়েছে ১২ জন সন্দেহভাজন বাংলাদেশিকে। মালদার ইংরেজবাজারের হোল্ডিং সেন্টারে নয় বাংলাদেশি, মুর্শিদাবাদের লালগোলার পদ্মাভবনে তিনজনকে আটকে রাখা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, মালদায় আটক নয় বাংলাদেশির মধ্যে তিন নারী, ছয় শিশু রয়েছে। তাদের গাজোল মহাকুমার পান্ডুয়া এলাকা থেকে থেকে আটক করা হয়। আটকদের বাড়ি বাংলাদেশের রংপুর জেলার মিঠাপুকুরে। দীর্ঘদিন ধরে তারা পান্ডুয়া এলাকায় থাকছেন। দক্ষিণ দিনাজপুরের হিলি সীমান্ত দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে অনুপ্রবেশ করেছিল।

মুর্শিদাবাদে আটকদের তিনজন হলেন মোহাম্মদ সেলিম, মোহাম্মদ রুবেল ও শরিফুল ইসলাম। ভারতে থাকার কোনো বৈধ নথি তাদের কাছে পাওয়া যায়নি। তবে তাদের বাংলাদেশি পরিচয়ের বিষয়ে বিস্তারিত পরিচয় বা অন্য কোনো তথ্য এখনও জানা যায়নি।

এ প্রসঙ্গে উত্তর মালদার বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু বলেন, ভারতীয় নাগরিক নন, এ রকম ব্যক্তিদের নিজের দেশে ফিরতে হবে। এটা তো খুবই জরুরি। প্রথম হচ্ছে, আমরা রাজ্যকে সুরক্ষিত করব। দেশকে সুরক্ষিত করব। যা এত দিন ধরে তৃণমূল কংগ্রেস… আমাদের রাজ্যটাকে রোহিঙ্গাদের, সন্ত্রাসের, জিহাদিদের একটা করিডোর হিসাবে ব্যবহার করার সুযোগ করে দিয়েছে।

উত্তরপ্রদেশে রাস্তায় ঈদের নামাজে নিষেধাজ্ঞাUP-Chief-Minister-Yogi-Adityanath
তৃণমূল কংগ্রেস নেতা কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরীর বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতেই পারেন। কিন্তু, সাধারণ ভারতীয়রা যাতে দমন-পীড়নের শিকার না হন তাও দেখা উচিত।

এর আগে, বিজেপি রাজ্যে সরকার গঠনের ২ সপ্তাহের মাথায় অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের আটকে রাখতে জেলায় জেলায় হোল্ডিং সেন্টার তৈরির নির্দেশ দেয়। গত ২৩ মে রাইটার্স বিল্ডিংয়ের ফরেনার্স ব্রাঞ্চ থেকে রাজ্যের সব জেলা প্রশাসকের কাছে এই সংক্রান্ত একটি জরুরি নির্দেশনা পাঠানো হয়। এরপরেই শুরু হয়েছে হোল্ডিং সেন্টার চালু ও ধরপাকড়ের প্রক্রিয়া।

এদিকে রাজ্যে প্রশাসন সূত্রে খবর, জেলা প্রশাসকের দপ্তর-সংলগ্ন এলাকায় হোল্ডিং সেন্টার করা হচ্ছে। যারা বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী বলে চিহ্নিত হয়েছেন, তাদের এখানে এনে রাখা হবে। ধীরে ধীরে তাদের ডিপোর্টে করার ব্যবস্থা করা হবে।

২০২৫ সালে অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে ফেরত পাঠানোর নির্দেশনা জারি করেছিল ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। কিন্তু সেসময়ের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার সেই নির্দেশনা আমলে নেয়নি। অন্যদিকে ক্ষমতায় এসেই অনুপ্রবেশ রুখতে ‘ডিটেক্ট, ডিলিট, ডিপোর্ট’; এই তিনটি স্তরের নীতির কথা বলেছেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD