নিজেদের এই ইউরেনিয়ামের মজুত স্থানান্তরের ব্যাপারে ‘আদর্শগতভাবে’ রাজি হয়েছে ইরান।
যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে গতকাল রোববার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমস।
গত শনিবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ঘোষণা করেন, যুদ্ধ স্থায়ীভাবে বন্ধ করা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যপথ হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজের চলাচল স্বাভাবিক করতে একটি স্থায়ী শান্তিচুক্তির কাছাকাছি পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। তবে এ ব্যাপারে বিস্তারিত আর কিছু বলেন তিনি।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই ঘোষণা দেওয়ার পর একাধিক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা নিউইয়র্ক টাইমসকে জানিয়েছেন, নিজেদের ইউরেনিয়ামের মজুত স্থানান্তর করতে ‘আদর্শগতভাবে’ রাজি হয়েছে ইরান, তবে কোথায় ও কীভাবে এই মজুত স্থানান্তর করা হবে সে সম্পর্কে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সরকারি প্রতিনিধিদের পরবর্তী বৈঠকগুলোতে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত সিদ্ধান্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
কয়েক দিন আগে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি বলেছিলেন যে ইরানের ইউরেনিয়াম দেশের বাইরে স্থানান্তর করা হবে না। তিনি এই বক্তব্য দেওয়ার কয়েক দিনের মধ্যে ইউরেনিয়াম স্থানান্তর ইস্যুতে ইরানের ‘আদর্শগত’ সম্মতিকে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বাঁক-বদল বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিশ্লেষকরা।
সূত্র : দ্য নিউইয়র্ক টাইমস, ইন্ডিয়া টুডে