মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ০৯:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিজেপি নয়, তৃণমূলের লড়াই ছিল নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে: মমতা হরমুজে যাত্রীবাহী নৌকায় মার্কিন হামলা, নিহত ৫ যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করছে: বাঘের গালিবাফ চীনের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা জারির প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পশ্চিমবঙ্গে যে সরকারই আসুক আমাদের ফরেন পলিসি একই থাকবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কেরালার রাজনীতিতে ইতিহাস গড়লেন ফাতিমা থাহিলিয়া হোয়াইট হাউজের কাছে ‘সশস্ত্র’ ব্যক্তির হামলায় পথচারী আহত ভারত থেকে পুশইন হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী হরমুজ মিশনে যোগ দিতে দক্ষিণ কোরিয়াকে ট্রাম্পের চাপ তেলের উত্তোলন বাড়ানোর ঘোষণা ওপেক প্লাস জোটের ৭ দেশের

তীব্র লোডশেডিং কবে কমবে, জানালেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬

তীব্র গরমে পুড়ছে সারা দেশ। মরার ওপর খাঁড়ার ঘাঁ হয়ে এসেছে লোডশেডিং। শেষ কিছু দিনে লোডশেডিং বেড়ে যাওয়ার ফলে দুর্ভোগে চরমে উঠেছে। শিল্প উৎপাদন, কৃষি উৎপাদনসহ নানা খাতে বিরূপ প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। সে কারণে এখন প্রশ্ন উঠছে, এই লোডশেডিং কত দিন চলবে?

লোডশেডিংয়ের মাত্রা শিগগিরই সহনীয় পর্যায়ে নেমে আসবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ২৬ এপ্রিল থেকে আদানি পাওয়ারের আমদানিকৃত বিদ্যুৎ আবারো পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া বাঁশখালির এসএস পাওয়ারের আইপিপি প্ল্যান্ট থেকে ৬৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ মিলবে আগামী ২৮শে এপ্রিল থেকে।

বিদ্যুৎ বিভাগের যুগ্ম সচিব উম্মে রেহানা বলেন, ‘২৮ এপ্রিল থেকে প্রায় ১৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমরা পাবো, যাতে সংকট খানিকটা কমবে। এছাড়া জ্বালানি সংকটে আরএনপিএন এর বন্ধ ইউনিটটি চালু হলে সব মিলিয়ে মে মাসের প্রথম সপ্তাহে প্রায় দুই হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দেওয়া সম্ভব হবে।’

এক সপ্তাহের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়ে আসতে পারে বলে মনে করেন বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বিবিসি বাংলাকে বলেন, ‘আদানি পাওয়ার প্ল্যান্ট আমাদেরকে যা সাপ্লাই করতো তাদের একটি ইউনিটে সমস্যা হওয়ায় এখন অর্ধেক দিতে পারছে, বাঁশখালির এসএস পাওয়ারের ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। তাদের সবার সঙ্গে আমরা কথা বলেছি, আশা করছি সপ্তাহ খানেকের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি হবে।’

তবে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি চলমান থাকলে এবং বাংলাদেশে জ্বালানি সংকটের এই প্রেক্ষাপট ঠিক না হওয়া পর্যন্ত লোডশেডিং সহ্য করেই চলতে হবে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞদের অনেকে।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ইজাজ হোসেন বলছেন, প্রায় ছয় থেকে সাত হাজার মেগাওয়াটের তেলভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো সচল করে এই মুহূর্তে লোডশেডিং কমানো সম্ভব।

কিন্তু এক্ষেত্রে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম যত বাড়বে সেটি বহন করা বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় কঠিন বলেই মনে করেন তিনি।

তিনি বলছেন, ‘বর্তমানে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দেওয়া হচ্ছে এই খাতে। এবার হয়তো সেটা ৬০ হাজার কোটি টাকা হতে পারে। ফার্নেস অয়েল নির্ভর বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো থেকে চাইলেই বাড়তি উৎপাদন করা যাবে না।’

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD