বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪১ অপরাহ্ন

কলির দুই পা খুঁজতে ৭ দিন পর ঘটনাস্থলে আবারও পুলিশ

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

পাবনায় তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী কামরুন্নাহার কলির মরদেহ উদ্ধারের সাত দিন পর ঘটনাস্থলে আবারও তল্লাশি চালিয়েছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কলির মরদেহ উদ্ধারের স্থানে তার দুই পা খুঁজতে যায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (ডিবি)। ‎ ‎ডিবির ওসি আব্দুস সালাম ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বেনু রায়ের নেতৃত্বে ডিবির একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধারের আশপাশের ডোবায় তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় পুলিশ মরদেহ উদ্ধারের স্থানসহ আশপাশের বিভিন্ন জায়গায় স্থানীয় বেশ কয়েকজনকে দিয়ে খোঁজাখুঁজি করানো হয়। ‎ ‎স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে ঘটনাস্থলে আবারও তল্লাশি চালানো হয়েছে। কলির মরদেহ উদ্ধারের সময় তার দুই পা ছিল না। তাই সেগুলোর সন্ধানে ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে। তবে তার দুই পা এখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুর রউফ সোহেল বলেন, দাফনের সময় মেয়েটির দুটি পা ছিল না। সেই পা কোথায় গেছে তা এখনো জানা সম্ভব হয়নি। ‎ ‎মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বেনু রায় বলেন, স্থানীয়রা পা খুঁজে দেখতে চেয়েছিল; তাই আমরা সেখানে গিয়েছিলাম। রিপোর্ট আসলে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে। ‎ এর আগে গত ৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যার পর বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী কামরুন্নাহার কলি। সাত দিন পর ১৬ সেপ্টেম্বর সকালে কুলোনিয়া গ্রামে বাড়ির পাশের ডোবা থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় তার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় প্রতিবেশী মোস্তফা প্রামাণিক ও তার ভাড়াটিয়া ইয়াছিন আলীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

পুলিশ সুপার মো. আশ্রাফ আলী জানান, তদন্তে উঠে এসেছে- মোস্তফার দোকানের পেছনের ঘরে কলিকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করে মরদেহ বস্তাবন্দি করে ডোবায় ফেলে দেওয়া হয়।

ঘটনার পর সন্দেহ এড়াতে আসামিরা পরিবারের সঙ্গে কলিকে খোঁজার পাশাপাশি মানববন্ধন ও বিক্ষোভেও অংশ নেন। রিমান্ডে মোস্তফা ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করলেও ইয়াছিন তা অস্বীকার করেছেন।

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD