মাদারীপুরের মঠেরবাজারে দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তৌহিদুল ইসলাম লিংকন নিহত হয়েছেন। সে শহরের বাগেরপাড় এলাকার আনোয়ার হোসেনের ছেলে। তার বয়স হয়েছিল ৩০ বছর।
এসময় অপর মোটরসাইকেলের দুই আরোহী শহরের সবুজবাগ এলাকার আরব আলীর ছেলে রানা (৩০) ও একই এলাকার সোবহান শিকদারের ছেলে মুমিন (১৪) তাদেরও উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর শেখ মুজিব মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জাহিদ হোসেন অনিক বলেন, গুরুতর আহত অবস্থায় ফরিদপুর শেখ মুজিব মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নেওয়ার পথেই মারা যায় লিংকন। বাকী দুজনেরও অবস্থাও গুরুতর বলে জানান জাহিদ হোসেন অনিক।
মাদারীপুর সদর থানার ওসি কামরুল ইসলাম মিঞা স্থানীয়দের বরাতে জানান, রাত সাড়ে ৮টার দিকে সদর উপজেলার খোয়াজপুর ইউনিয়নের মঠেরবাজার এলাকার থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে আসার পথে বিপরীত দিক থেকে অপর আরেকটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
এসময় লিংকনসহ অপর মোটরসাইকেলের আরো দুই আরোহী গুরুতর আহত হয়। পরে তাদের উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে আনার পর ফরিদপুর মেডিক্যালে পাঠানো হয়। পরে শুনেছি, ফরিদপুরে নেওয়ার পথে লিংকন মারা গেছে।
ওসি আরো বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে আমরা ধারণা করছি, রাস্তায় কুয়াশা থাকায় দ্রুতগতির মোটরসাইকেলে হেডলাইটের আলো দেখতে না পাওয়াই দুর্ঘটনার একটি কারণ হতে পারে।’
মাদারীপুর সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মনিরুজ্জামান পাভেল বলেন, ‘মোটরসাইকেলের দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে তিনজনকে সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে আমরা দ্রুত তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুরে পাঠানো হয়েছে।’