বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১০:৩৮ পূর্বাহ্ন

নতুন মামলা না হলে মৌয়ের দ্রুত জামিনের ‘আশা’

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৭ আগস্ট, ২০২১

স্টাফ রিপোর্টার : ‘আসামি একজন বয়স্ক মহিলা, তিনি কোনদিন মাদক সেবন করেননি, ব্যবসাও করেন না। উনি একজন অভিনেত্রী ও মডেল, ওনার অনেক জনপ্রিয়তা আছে তার সেই সুনাম ক্ষুণ্ন করার জন্য একটি মহল ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছেন।’

রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানায় করা মাদকদ্রব্য আইনের মামলায় মডেল মরিয়ম আক্তার মৌকে শুক্রবার ফের চার দিনের হেফাজতে পেয়েছে পুলিশ।

একই মামলায় দ্বিতীয় দফা তার এ রিমান্ডের আদেশ দেন বিচারক।

মামলার তদন্ত কার্যক্রমের ভার সিআইডি পুলিশের কাছে হস্তান্তর হওয়ায় নতুন তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডি পুলিশের পরিদর্শক প্রবীণ কুমার ঘোষ মৌকে ফের জিজ্ঞাসাবাদ করতে ১০ দিনের হেফাজতে নিতে আবেদন করেন।

শনিবার মৌয়ের আইনজীবী জামিল সিদ্দিকী বাপ্পি নিউজবাংলাকে জানান, ‘একটি ভিত্তিহীন মামলা ও তদন্ত সংস্থা পরিবর্তন করে আবার রিমান্ডে পাঠানো অনুচিত হয়েছে। আদালতকে আমরা বহুভাবে বোঝানোর চেষ্টা করেছি। কিন্তু আদালত আমাদের আইনি ব্যাখ্যাকে উপেক্ষা করেছে। আসামি একজন বয়স্ক মহিলা, তিনি কোনদিন মাদক সেবন করেননি, ব্যবসাও করেন না। উনি একজন অভিনেত্রী ও মডেল, ওনার অনেক জনপ্রিয়তা আছে তার সেই সুনাম ক্ষুণ্ন করার জন্য একটি মহল ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছেন।’

তবে তিনি আরও বলেন, ‘আগামী ১১ আগস্ট রিমান্ড ফেরত আদালতে আনা হবে মৌকে। নতুন কোনো মামলা না থাকলে বিচারক খুব শিগগিরই তার জামিন আবেদন গ্রহণ করবেন।’

শুক্রবার বিকেলে মৌকে তিন দিনের রিমান্ড ফেরত মহানগর হাকিম আদালতে তোলা হয়। সেই সঙ্গে মোহাম্মদপুর থানার মাদক মামলার তদন্তের স্বার্থে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিতে নতুন তদন্ত কর্মকর্তা আবেদন করলে শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম সত্যব্রত শিকদার তাকে ফের হেফাজতে নেয়ার আদেশ দেন।

এর আগে তিনদিনের রিমান্ড শেষে ঢাকার আদালতে মডেল মৌকে হাজির করা হয়। আসামি মৌয়ের আবারও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ডে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক প্রবীণ কুমার ঘোষ।

এর আগে ২ আগস্ট মৌকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠান বিচারক।

গত ১ আগস্ট মৌ আক্তারের মোহাম্মদপুরের বাবর রোডের বাসায় অভিযান চালিয়ে মদ, ইয়াবাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্যও গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, পিয়াসা ও মৌ মূলত একই সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্য। মডেলিংয়ের নামে তারা উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তানদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলতেন। এরপর পার্টি করার নাম করে তাদের বাসায় ডেকে নিতেন। সেখানে মদ-ইয়াবাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক খাইয়ে ‘আপত্তিকর’ ছবি তুলতেন। পরে সেগুলো দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে টাকা বা নানা সুবিধা আদায় করতেন।

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD