আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নেপালকে ৯ উইকেটে পরাজিত করে সুপার এইট পর্বে জায়গা নিশ্চিত করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত গ্রুপ পর্বের ম্যাচে ক্যারিবীয়রা সহজ জয় তুলে নেয় মাত্র ১৫.২ ওভারে।
১৩৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রণে ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ওপেনিং জুটিতে ব্র্যান্ডন কিং ও অধিনায়ক শাই হোপ ৪৩ রান যোগ করেন। ১৭ বলে চারটি চারের সাহায্যে ২২ রান করে কিং আউট হলে ক্রিজে আসেন শিমরন হেটমায়ার। এরপর হোপ–হেটমায়ার জুটি আর কোনো উইকেট না হারিয়েই দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেয়।
শাই হোপ ৪৪ বলে অপরাজিত ৬১ রান করেন, ইনিংসটি সাজান পাঁচটি চার ও তিনটি ছক্কায়। এটি তার টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের দশম অর্ধশতক। অন্যদিকে হেটমায়ার ৩২ বলে অপরাজিত ৪৬ রান করেন, যার মধ্যে ছিল চারটি চার ও দুটি ছক্কা।
এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই ধাক্কা খায় নেপাল। প্রথম ওভারেই আকিল হোসেইনের বলে ১ রান করে ফেরেন কুশল ভুরটেল। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে দলটি। অধিনায়ক রোহিত পাওডেল ৫ ও উইকেটকিপার আসিফ শেখ ১১ রান করে আউট হলে ৪.১ ওভারে নেপালের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৭/৩।
জেসন হোল্ডার ও শামার জোসেফের আঘাতে মিডল অর্ডারও ভেঙে পড়ে। ১৫ ওভারে ৬ উইকেটে ৭৩ রানে ধুঁকতে থাকে নেপাল। সেখান থেকে ইনিংস সামাল দেন দীপেন্দ্র সিং আইরি ও সোমপাল কামি। দুজনের ৫৪ রানের জুটিতে শতরান পার করে দলটি।
দীপেন্দ্র ৪৭ বলে তিন চার ও তিন ছক্কায় ৫৮ রান করে আউট হন। শেষ দিকে সোমপাল কামি ১৫ বলে অপরাজিত ২৬ রান করেন চারটি চারের সাহায্যে। নির্ধারিত ২০ ওভারে নেপালের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৩৩/৮।
বল হাতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে সবচেয়ে সফল ছিলেন জেসন হোল্ডার। চার ওভারে ২৭ রান দিয়ে নেন ৪ উইকেট। এ ছাড়া রোস্টন চেজ, শামার জোসেফ, ম্যাথিউ ফোর্ড ও একিল হোসেইন একটি করে উইকেট শিকার করেন।
এই জয়ে সুপার এইট নিশ্চিত করল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। গ্রুপ পর্বে তাদের শেষ ম্যাচ ইতালির বিপক্ষে ১৯ ফেব্রুয়ারি।