রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শারীরিক অবস্থার উন্নতি, বাসায় ফিরলেন বিদ্যুৎমন্ত্রী দর্শক সারিতে বসে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করলেন প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল লেনদেনে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা ঋণ দেওয়ার উদ্যোগ বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০২৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রে গৃহযুদ্ধের শঙ্কা জ্বালানি সংকটে ভুক্তভোগীদের কাছে প্রধানমন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ হাম ও উপসর্গে আরও চার শিশুর মৃত্যু বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দাবি মেনে না নিলে ডিসেম্বরের মধ্যে সরকার পতনের আন্দোলন অক্টোবরেও ডেঙ্গুর সংক্রমণ বাড়ার ঝুঁকি কাদামাটিতে চাপা পড়েছে নেপালের সেই টানেল, আর কেউ জীবিত নেই

পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সিরিজের প্রত্যাশা সিমন্সের

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান কোচ **ফিল সিমন্স জানিয়েছেন, আসন্ন পাকিস্তান সিরিজে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতার আশা করছেন তিনি। একই সঙ্গে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের শেষ ম্যাচে যে পারফরম্যান্স দেখিয়েছিল দল, সেখান থেকেই এগিয়ে যেতে চান টাইগাররা।

সোমবার সংবাদ সম্মেলনে সিমন্স বলেন, ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশ যেভাবে খেলেছিল, সেই পারফরম্যান্সই ভবিষ্যতের পথ দেখাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের শেষ ম্যাচে আমরা ভালো খেলেছিলাম এবং সেখান থেকে আমরা পিছিয়ে যেতে চাই না।

আমার কাছে মনে হয়েছে, এখন উইকেট আগের তুলনায় অনেক ভালো। ক্রিকেটার হিসেবে আমরা ভালো উইকেটে খেলতে চাই, যাতে নিজেদের দক্ষতা যাচাই করা যায়।’
দলের উন্নতির ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে মিডল ওভার—এমনটাই জানিয়েছেন বাংলাদেশের কোচ। তার মতে, এই সময়টাতেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ বদলে যেতে পারে।

‘আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে আরো উন্নতি করা। বিশেষ করে মিডল ওভারে আমরা এখনো খুব ভালো করতে পারিনি। ব্যাটিংয়ের সময় ওই সময়ে কত রান হচ্ছে, কত সিঙ্গেল ও বাউন্ডারি আসছে—সেগুলো গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে বোলিংয়েও মিডল ওভারে আরো বেশি উইকেট নিতে হবে,’ বলেন সিমন্স।

মিডল অর্ডারে ব্যাটিং নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, দলের ভারসাম্য বজায় রাখতেই কিছু ক্রিকেটারকে সেখানে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘পঞ্চাশ ওভার উইকেটকিপিং করার পর ওপেনিং করা খুব কঠিন। এছাড়া আমাদের একজন ব্যাটসম্যান আছেন যিনি স্পিন খুব ভালো খেলেন। তাই তাকে মিডল অর্ডারে ব্যবহার করা হচ্ছে। মিডল অর্ডার আমাদের দুর্বল জায়গা ছিল, তাই তার অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা সেখানে কাজে লাগবে বলে আশা করছি।’

সিমন্স আরো বলেন, ওই ব্যাটসম্যান এখন নিজের খেলায় অনেক বেশি স্বচ্ছন্দ এবং দলের প্রয়োজনে যেকোনো পজিশনে ব্যাট করতে প্রস্তুত।

আসন্ন ম্যাচগুলোকে সামনে রেখে দলের লক্ষ্য প্রসঙ্গে সিমন্স বলেন, শুধু বিশ্বকাপ বাছাইয়ের কথা ভাবলে চলবে না, বরং একদিনের ক্রিকেটে ধারাবাহিকভাবে ভালো দল হয়ে ওঠাই এখন প্রধান লক্ষ্য।

‘আমাদের কাজ হচ্ছে টেবিলে উপরের দিকে ওঠা। শুধু স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিশ্বকাপে সুযোগ পাওয়ার চিন্তা নয়, আমরা চাই ভালো ক্রিকেট খেলতে এবং ধীরে ধীরে র‍্যাঙ্কিংয়ে ওপরে উঠতে,’ বলেন তিনি।

বাংলাদেশ ক্রিকেটের সাম্প্রতিক কঠিন সময় নিয়েও কথা বলেন সিমন্স। তার মতে, সেই সময়টা খেলোয়াড়দের জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিল। তবে এখন দল ধীরে ধীরে সেই পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠছে।

তিনি বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়টা খেলোয়াড়দের জন্য খুবই কষ্টের ছিল। আমি তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। তবে আমরা এখন ধীরে ধীরে সেই পরিস্থিতি পেছনে ফেলছি। ঘরোয়া টুর্নামেন্টও এতে সাহায্য করেছে। এখন আমরা আবার পঞ্চাশ ওভারের ক্রিকেটে মনোযোগ দিচ্ছি।’

দলে নতুন ও অনভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের অন্তর্ভুক্তির বিষয়েও পরিকল্পনার কথা জানান বাংলাদেশের কোচ।

‘আমরা শুধু ১৫ জনের দল নয়, বরং বড় একটি খেলোয়াড়ের পুল তৈরি করতে চাই। প্রায় ২০ থেকে ২৪ জন ক্রিকেটারকে আমাদের সঙ্গে অনুশীলনের মধ্যে রাখা হচ্ছে, যাতে সুযোগ এলে তারা প্রস্তুত থাকে,’ বলেন সিমন্স।

২০২৭ সালের বিশ্বকাপ সামনে রেখে পেস বোলারদের বেশি সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

‘আগামী বিশ্বকাপ দক্ষিণ আফ্রিকায়। সেখানে দ্রুতগতির বোলারদের গুরুত্ব বেশি থাকবে। তাই এখন থেকে আমরা বেশিরভাগ সময় তিনজন পেসার নিয়ে খেলতে চাই। কখনো পরিস্থিতি অনুযায়ী তিন স্পিনার লাগতে পারে, কিন্তু এক পেসার দিয়ে ম্যাচ খেলার পরিকল্পনা আর থাকবে না,’ বলেন তিনি।

সবশেষে সিমন্স বলেন, আসন্ন সিরিজটিকে তারা ২০২৭ বিশ্বকাপের প্রস্তুতির শুরু হিসেবে দেখছেন। তিনি বলেন, ‘এটি আমাদের জন্য দারুণ একটি শুরু। প্রতিপক্ষও সহজে হার মানতে চাইবে না। উইকেটও ভালো হবে। তাই আমরা একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সিরিজের অপেক্ষায় আছি। এটিই ২০২৭ বিশ্বকাপের প্রস্তুতির শুরু।’

 

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD