কুয়াকাটা বিমানবন্দর স্থাপন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিমানের ফ্লাইট হয়তো সেখানে পরিচালনা করা যাবে। কিন্তু সেটি যদি লস হয় তাহলে তো পাবলিকের পকেট থেকে পয়সাটা যাবে। কাজেই সেটি বোধহয় বিজনেস ওয়াইজ খুব একটা ভালো হবে না। তবে কোনও প্রাইভেট কোম্পানি যদি সেখানে ফ্লাইট অপারেট করতে চায়, আমরা সরকারের পক্ষ থেকে সেখানে তাকে ইনফ্রাস্ট্রাকচারটা যতটুকু সম্ভব তৈরি করে দেওয়ার জন্য চেষ্টা করব।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৪তম দিনের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
পটুয়াখালী-৪ আসনের এমপি এবিএম মোশাররফ হোসেন সম্পূরক প্রশ্নে বলেন, কুয়াকাটা পর্যটন কেন্দ্র আছে, নৌ একটা ঘাটি আছে। ওখানে একটি ক্যান্টেনমেন্ট আছে, পায়রা বন্দর আছে। ওখানে এর সঙ্গে যদি দ্রুতগতিতে একটি বিমানবন্দর করা যায় তাহলে কুয়াকাটাকে হয়তো আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন হিসেবে আমরা গড়ে তুলতে পারবো। বিমানবন্দর করা যায় কি না?
জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বিমানবন্দরের বিষয়টি অর্থনীতির সঙ্গে সম্পর্কিত। বিমানের ফ্লাইট অবশ্যই পরিচালনা সেখানে করা হয়তো যাবে কিন্তু সেটি যদি লস হয় তাহলে তো পাবলিকের পকেট থেকে পয়সাটা যাবে। কাজেই সেটি বোধহয় বিজনেস ওয়াইজ খুব একটা ভালো হবে না। তবে কোনও প্রাইভেট কোম্পানি যদি সেখানে ফ্লাইট অপারেট করতে চায়, আমরা সরকারের পক্ষ থেকে সেখানে তাকে ইনফ্রাস্ট্রাকচারটা যতটুকু সম্ভব তৈরি করে দেওয়ার জন্য চেষ্টা করব। তবে অবশ্যই যাচাই বাচাইয়ের ভিত্তিতে আমাদের এটি করতে হবে। সরকারের যেরকম লস চাই না। আমরা চাই না কোন উদ্যোক্তা উদ্যোগ গ্রহণ করে সেটা তারা ব্যর্থ হোক বা সেটি ভালো না হোক।