প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের ওপর রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের ওষুধ প্রয়োগে কোনো বিপদ বা ক্ষতি হয় না। এই ওষুধ নিয়ে কিছু বিশেষিজ্ঞের শঙ্কা থাকলেও তা উড়িয়ে দিয়েছেন জন্স হপকিন্স ইউনিভার্সিটির একদল গবেষক।
আক্রান্ত রোগীর ওপর এন্টি-হাইপারটেনশন ওষুধ প্রয়োগে বিপদ সৃষ্টি করে কি না- এমন প্রশ্নের উদ্ভব হয় মার্কিন রোগ নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এক প্রতিবেদন প্রকাশের পর। সেখানে বলা হয়, মার্চ-এপ্রিল মাসে যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে ৭২ শতাংশ উচ্চ রক্ত চাপের রোগী। এসব রোগীর দেহে প্রয়োগকৃত ওষুধ কম কার্যকারিতা দেখাচ্ছে। এন্টি-হাইপারটেনশন ওষুধের কারণে হয়তো অন্যান্য ওষুধগুলো কাজ করছে না।
অন্যান্য ওষুধের কার্যকারিতা কমে যাওয়ায় অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির গবেষকরাও কিছু কিছু ক্ষেত্রে রোগীদের এন্টি-হাইপারটেনশন ওষুধ প্রয়োগে মানা করেন।
এ বিষয়ে জন্স হপকিন্সের গবেষকরা বলছেন, করোনাভাইরাসে সংক্রমিত রোগীদের ওপর এন্টি-হাইপারটেনশন প্রয়োগে তারা কোনো অসঙ্গতি খুঁজে পাননি। বিপজ্জনক কোনো লক্ষণও তাদের চোখে পড়েনি।
গবেষকরা বলছেন, ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে মুক্তির জন্য রক্তচাপের ওষুধ বন্ধ করার কোনো প্রয়োজন নেই।
গবেষণায় নেতৃত্ব দেয়া মার্ক সুচার্ড বলেন, এই গবেষণার তথ্য কোনো ভুল নেই। যুক্তরাষ্ট্র ও স্পেনের মেডিকেল তথ্য ভাণ্ডারে থাকা ১১ লাখ রোগীর তথ্য নিয়ে আমরা এই গবেষণা করেছি। এরা সবাই উচ্চ রক্তচাপে ভোগা রোগী, যারা করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।
তিনি বলেন, এসব রোগীদের ওপর এন্টি-হাইপারটেনশন ওষুধের প্রয়োগে কোনো বড় পরিবর্তন লক্ষ করা যায়নি।