স্টাফ রিপোর্টার : করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে চলমান লকডাউনের ষষ্ঠ দিন মঙ্গলবার (৬ জুলাই) রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে গাড়ির চাপ দেখা গেছে। বেড়েছে যানজটও।
যে গাড়িগুলো বের হয়েছে তারা কেনো বের হয়েছে সেটা পুলিশ চেকপোস্টের মাধ্যমে জেনে নিচ্ছে এবং প্রতিটি গাড়ি চেক করছেন তারা।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, যেসব পুলিশ সদস্য দায়িত্বে রয়েছেন তারা জানিয়েছেন, ব্যাংক, বিমাসহ আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো খোলা থাকায় সেসব প্রতিষ্ঠানের গাড়ি পাওয়া যাচ্ছে। তবে লকডাউনে যাদের চলাচলের অনুমতি আছে, তারাই রাস্তাই বের হচ্ছেন।
তবে যারা জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বের হওয়া মানুষদের আটকে দেয়া হচ্ছে। তাদের গ্রেপ্তারসহ নেয়া হচ্ছে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা।
সকাল ১০ টার দিকে রামপুরায় বিটিভি চেকপোস্টে ১০ থেকে ১২ জনকে ফুটপাতে বসে থাকতে দেখা গেছে। তারা জানিয়েছে, ঘরে তারা কাজে বের হয়েছিলেন। পুলিশ আটকে বসে থাকার শাস্তি দিয়েছে।
এই চেকপোস্টে দায়িত্বে থাকা ট্রাফিক পরিদর্শক মশিউর রহমান বলেন, আমরা প্রত্যকটি গাড়ি চেক করে ছাড়ছি। লকডাউনে চলাচলের অনুমতি আছে এমন মানুষ ও তাদের গাড়ির সংখ্যাই বেশি। তবে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া যাদের সড়কে চলাচল করতে পাওয়া যাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
বিশ্বরোড থেকে মালিবাগ পর্যন্ত সড়কটি শহরের ব্যস্ততম সড়কগুলোর একটি। আজকে গাড়ির সংখ্যা গত কয়েক দিনের তুলনায় বেশি দেখা গেছে।
বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তা অবিক ইসলাম আরটিভি নিউজকে জানিয়েছেন, গুলশান থেকে কাওরান বাজার আসতে তার দেড় ঘন্টার বেশি সময় লেগেছে।
রাজধানীর অন্যতম প্রবেশমুখ গাবতলীতে সকাল থেকেই অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ ছিল বলে জানান দারুস সালাম জোনের (ট্রাফিক) সহকারী কমিশনার ইফতেখায়রুল ইসলাম।
তিনি বলেন, সকাল থেকে ঢাকায় ইনকামিংয়ে চাপ বেশি ছিল। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আউটগোয়িং বাড়ছে। প্রতিটি গাড়ি চেক করায় কিছু জট তৈরি হচ্ছে। তবে জরুরি সেবার গাড়িগুলো স্মুদলি পার করে দিচ্ছি।