পাকিস্তানশাসিত কাশ্মীরে (আজাদ জম্মু ও কাশ্মীর) ১০০ দিনেরও বেশি সময় ধরে ইন্টারনেট ব্যবহারে কঠোর বিধিনিষেধ চলছে। নির্বাচনী সংস্কারের দাবিতে বিক্ষোভ শুরুর পর গত জুনের শুরু থেকে অঞ্চলটির মোবাইল ডেটা ও ব্রডব্যান্ড সেবা সীমিত রয়েছে বলে জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।
আলজাজিরার মঙ্গলবারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিক্ষোভের পর তিন ধাপে স্থানীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সর্বশেষ ধাপের ভোট হয় ১০ আগস্ট। পরে নতুন সরকার গঠিত হলেও ইন্টারনেট সেবায় আংশিক নিষেধাজ্ঞা এখনো বহাল রয়েছে। এতে স্বাভাবিক জীবনযাত্রার পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিক্ষাক্ষেত্রেও ব্যাপক প্রভাব পড়েছে।
ইন্টারনেট সীমাবদ্ধতার কারণে অনলাইন ব্যাংকিংয়ের ওয়েবসাইট ও অ্যাপগুলোতে প্রবেশ করতে পারছেন না অনেক ব্যবহারকারী। ফলে পুরো অঞ্চলের ব্যবসায়িক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষার্থীরাও অনলাইনভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রমে অংশ নিতে সমস্যায় পড়ছেন। এমনকি পরিস্থিতির কারণে সরকার ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচিও পিছিয়ে দিয়েছে।
ইন্টারনেট বন্ধের বিষয়টি পর্যবেক্ষণকারী স্বাধীন সংস্থা নেটব্লকস জানিয়েছে, গত ৫ জুন থেকে পাকিস্তানশাসিত কাশ্মীরে আংশিক ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট চলছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২৭ জুলাই নির্ধারিত স্থানীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে অঞ্চলটিতে উত্তেজনা তৈরি হয়। নির্বাচনী সংস্কারসহ বিভিন্ন দাবিতে শুরু হওয়া বিক্ষোভের পর থেকেই ইন্টারনেট সেবায় বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। সূত্র : আলজাজিরা