অফিস থেকে ১০ হাজার টাকা ও একটি বাইসাইকেল চুরি করে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগে নুরুল ইসলামের অনুপস্থিতিতেই তাকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত। ৩৪ বছর পালিয়ে থাকার পর অবশেষে মাগুরা শহর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেছে নড়াইলের লোহাগড়া থানার পুলিশ।
গাজীপুরের টঙ্গীতে একটি কোম্পানিতে অফিস সহকারী পদে চাকরি করতেন নুরুল ইসলাম। চুরির অভিযোগে ১৯৮৬ সালে কোম্পানি তার বিরুদ্ধে টঙ্গী থানায় মামলা করে। তখন থেকে তিনি পলাতক। ১৯৯৪ সালে তার বিরুদ্ধে রায় দেন আদালত।
নুরুল ইসলামের বর্তমান বয়স ৫৮ বছর। সোমবার (১৪ ডিসেস্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মাগুরা শহর থেকে নড়াইলের লোহাগড়া থানা-পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। তার বাড়ি লোহাগড়া উপজেলার মাকড়াইল গ্রামে।
সোমবার সন্ধ্যায় নড়াইলের পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করে জেলা পুলিশ। কথা বলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) রিয়াজুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ওয়ারেন্ট তামিলকারী পুলিশ কর্মকর্তা লোহাগড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মাহফুজুল হক।
গ্রেপ্তার নুরুল বলেন, ১৯৮৬ সালে মামলার পর থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন। বিভিন্ন জায়গায় ছদ্ম নামে চলাফেরা করতেন। সর্বশেষে মাগুরা শহরে পত্রিকা বিক্রি করতেন। মাগুরায় তিনি বিয়ে করে সংসার করছিলেন।
লোহাগড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মাহফুজুল হক বলেন, গাজীপুরের আদালত ১৯৯৪ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর নুরুল ইসলামকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। ওয়ারেন্ট অনুযায়ী তাকে গ্রেপ্তার করতে এ পর্যন্ত ১২০ জন পুলিশ কর্মকর্তা দায়িত্ব পেয়েছেন।
লাইট নিউজ