বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ১০:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভারত-মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেবে বাংলাদেশ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুদ্ধোত্তর ইরানে শাসনব্যবস্থা হবে আরও নারী ও পরিবার বান্ধব প্রবাসীদের আকামা নিয়ে জরুরি নির্দেশনা, না মানলেই শাস্তি দেশের ৭৫টি কারাগারে ধারণক্ষমতার ১.৭ গুণ বন্দি রয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানে আবারও বোমা হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের সংসদে সরকারি ফ্ল্যাটে ওয়াশিং মেশিন ও মাইক্রোওভেন চাইলেন জামায়াত এমপি বাবা খুন ও ভাইয়ের নেই সন্ধান, বিশ্বকাপে তিনিই এখন ‘দেশের ভরসা’ দুর্নীতির মামলায় আবেদ আলীর ছেলে সোহানুরের বিচার শুরু ইসরাইল ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের অস্তিত্ব নেই: মার্কিন রাষ্ট্রদূত বিএনপির রাজনীতি মানুষের পাশে দাঁড়ানো ও দেশকে এগিয়ে নেওয়া

৩ দিনে সুস্থ হচ্ছে করোনা রোগী

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৬ মে, ২০২০

বাংলাদেশের চিকিৎসকদের একটি দল করোনাভাইরাসের চিকিৎসায় আশার আলো দেখাচ্ছেন। প্রায় দেড় মাসের গবেষণায় তারা দেখেছেন, পুরনো দুটি ওষুধের সম্মিলিত প্রয়োগ করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়তে সক্ষম। এ ওষুধ প্রয়োগে মাত্র তিন থেকে চার দিনেই করোনা আক্রান্ত রোগী সুস্থ হয়ে উঠছেন।

বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. তারেক আলম তার একজন সহযোগী চিকিৎসককে নিয়ে এ গবেষণা করেছেন।

ওষুধ দুটি হলো— অ্যান্টিপ্রোটোজোয়াল মেডিসিন ইভারমেকটিন ও অ্যান্টিবায়োটিক ডক্সিসাইক্লিন। অ্যান্টিপ্রোটোজোয়াল মেডিসিন ইভারমেকটিনের সিঙ্গেল ডোজের সঙ্গে অ্যান্টিবায়োটিক ডক্সিসাইক্লিনের সম্মিলনে আক্রান্ত রোগীকে প্রয়োগ করা হয়। প্রয়োগের মাত্র তিন দিনে ৫০ শতাংশ লক্ষণ কমে যাওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। আর চার দিনে করোনাভাইরাস টেস্টের রেজাল্ট নেগেটিভ আসার কথা জানিয়েছেন তারা।

এটি রীতিমতো বিস্ময়কর সাফল্য উল্লেখ করে ডা. তারেক আলম বলেন, প্রায় দেড় মাস ধরে আমরা গবেষণা করছি। মাত্র তিন দিনের মাথায় ওষুধটি কার্যকারিতা দেখাচ্ছে। পরবর্তীতে রোগী সুস্থ হয়ে উঠছেন।

তিনি আরও বলেন, ওষুধ দুটি এর আগেও সার্স মহামারির সময় ব্যবহার করা হয়েছিল। ভারতে এই ওষুধ নিয়ে গবেষণা শুরু হয়েছে। আমরা বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬০ জন রোগীর ওপর এ ওষুধ প্রয়োগ করেছি। পরে তারা সুস্থ উঠছেন। হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন ও রেমডিসিভিরের থেকে অল্প সময়ে এ ওষুধ কাজে দিচ্ছে। করোনার চিকিৎসায় এ ওষুধ ভালো ফল দিবে বলে আমরা আশাবাদী। সম্মান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এ গবেষণা করা হয়েছে। একই প্রতিষ্ঠানের অধ্যাপক ডা. রুবাইয়ুল মোরশেদসহ অন্যরা গবেষণায় সহযোগিতা করেছেন।

লাইটনিউজ/এসআই

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD