থার্টিফার্স্ট নাইট উদযাপনে বেশ কিছু নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ডিএমপি। নিরাপত্তার বলয়ে পুরো রাজধানী। মোড়ে মোড়ে চলছে তল্লাশি। বন্ধ রাখা হয়েছে বার।
এর আগে থার্টিফার্স্ট নাইট উদযাপনকে কেন্দ্র করে অতীতে বেশ কিছু তিক্ত অভিজ্ঞতা আছে পুলিশের। এবার দুর্ঘটনা বা অনাকাঙ্ক্ষিত সব ঘটনা এড়াতে সতর্ক পুলিশ। কোনো ধরনের বিতর্কে না জড়াতেই পুলিশ থার্টিফার্স্টের নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করে।
৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যার পর থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হয়। রাজধানীর যেসব এলাকায় মানুষের জমায়েত হওয়ার সম্ভাবনা আছে সেসব জায়গায় বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি। থানা পুলিশও থানা এলাকায় টহল বাড়িয়েছে।
মধ্যরাতে শুরু হবে বর্ষবরণ আয়োজন। তবে এই আয়োজনে কিছু নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে ডিএমপির পক্ষ থেকে। খ্রিস্টীয় নতুন বছর ২০২৩ উদযাপন ঘিরে ৩১ ডিসেম্বর (থার্টিফার্স্ট) রাতে ঢাকা মহানগর এলাকায় জনশৃঙ্খলা ও যানবাহন-শৃঙ্খলা নিশ্চিতকরণে যানবাহন চলাচলে কিছু সাময়িক ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে ডিএমপি।
এ ছাড়া থার্টিফার্স্ট নাইট বাসায় কিংবা বাড়ির ছাদে কোথাও জনসমাগম করে উদযাপন করা যাবে না বলে জানিয়েছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী। থার্টিফার্স্ট নাইটে উন্মুক্ত স্থানে লোকসমাগম ও কোনো পার্টি করা যাবে না।
সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরদিন সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টা দেশের সব বার বন্ধ করা হয়েছে। তবে সীমিত আকারে হোটেলগুলোর নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠান করা যাবে। কিন্তু ডিজে পার্টি করা যাবে না।
ডিএমপির সাবেক কমিশনার মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান মিঞা গণমাধ্যমকে বলেন, ‘জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং সামাজিক বিশৃঙ্খলা এড়াতে পুলিশের কড়াকড়ি বাড়ানো হয়েছে। কেউ যদি চার দেয়ালের মধ্যে বাসায় বা হোটেল-রেস্তোরাঁয় এ রাত উদযাপন করে, সেখানে কোনো বাধা নেই। ’