ইনজুরিতে প্রায় এক বছরেরও বেশি সময় ধরে মাঠের বাইরে পেসার এবাদত হোসেন। এ সময় বাংলাদেশ দল একের পর এক বড় টুর্নামেন্ট খেললেও ডেরায় পাচ্ছে পেস ইউনিটের অন্যতম স্তম্ভকে। গত বছরের জুলাইয়ে হাঁটুতে পাওয়া চোট তাকে নিয়ে গেছে ছুরি-কাঁচির নিচে। বর্তমানে পুনর্বাসন প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। মাঠে ফেরা নিয়ে আজ গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে কথা বলেন এবাদত।
কষ্টের কথা মনেই করতে চান না বলে গণমাধ্যমে এবাদত বলেন, ‘সত্যি কথা অনেক কষ্টের সময় ছিল। এটা মনে করতে চাইও না এখন। ওই সময়টা এমন ছিল, সবসময় একা একা লাগতো। কারণ, আমি খেলোয়াড় হিসেবে সবসময় মাঠে থাকবো, খেলবো; এক তো হচ্ছে এই কষ্ট। দ্বিতীয়ত,
আমি হাঁটতেই পারছি না। একটু বাইরে যাবো, কারো সঙ্গে দেখা করবো, কোনো সুযোগই ছিল না ওই সময়ে। এটা আসলে অনেক কষ্ট, সত্যি কথা এটা মনে করতে চাই না।’
বর্তমান অবস্থা নিয়ে এবাদত বলেন, ‘আজকে একটু রানিং করলাম। ফিটনেসের কাজ করলাম, ব্যাটিং করছি, তারপর শেষে বোলিং করলাম। বোলিং শুরু করেছি এক দেড় মাস হলো, বোলিং ইন্টেন্সিটি আগে ৭০-৮০% ছিল, ওভাবেই আছে এখন। ট্রেনার আমাকে একটা প্রোগ্রাম দিয়ে দিয়েছে শেষ দিকে এসে কী রকম বোলিং করা লাগে বা কী রকম ফিটনেস মেইনটেইন করা লাগে। ওইটাই ফলো করছি আপাতত। বোলিং ইন্টেন্সিটি ৮০% এর মতোই আছে। আশা করছি, দুই-তিন সপ্তাহের মধ্যে যেন ফুল ইন্টেন্সিটিতে বোলিং করতে পারি।’
বাবর-রিজওয়ানদের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট খেলতে বাংলাদেশ দল এখন পাকিস্তানে। এই সিরিজটাও মিস হয়ে গেলো টেস্টের অটো চয়েজ ইবাদতের। তবে তিনি তাকিয়ে ভারত সিরিজের দিকে। এই সিরিজকেই ফেরার মঞ্চ বানাতে চান ইবাদত, ‘আমার লক্ষ্য আছে যেন ভারতের সঙ্গে
খেলতে পারি। ভারতে যেহেতু দুইটা টেস্ট ম্যাচ আছে। চেষ্টা করছি এর আগে যদি আমি টেস্ট ফিটনেসটা পেয়ে যাই। আমার কাছে মনে হয় একটা সুযোগ আছে ভারত সিরিজের আগে নিজেদের মধ্যে একটা ফোর ডে ম্যাচ খেলার, ওখানে সুযোগ পেলে জাজ করতে পারবো কতটুকু ফিট টেস্ট ম্যাচ খেলার জন্য।’
লম্বা সময়ের পর মাঠে ফিরে ছন্দ খুঁজে পাবেন কি না এর উত্তরে এবাদত বলেন, ‘এটা স্বাভাবিক এক বছর যেহেতু খেলার বাইরে। আমার বোলিংয়ে ছন্দটা একটা ফ্যাক্টর। চেষ্টা করছি বোলিংয়ের ছন্দ খুঁজে পেতে। যে ইন্টেন্সিটিতে বোলিং করছি, আমার কাছে অনেক ভালো লাগছে যে আমি আমার ছন্দটা খুঁজে পাচ্ছি। আরেকটা জিনিস হচ্ছে, এই সময়ে আমার সেকেন্ড স্কিল যেটা আছে, ব্যাটিং নিয়ে কাজ করছি। ফিল্ডিং নিয়েও কাজ করছি।’