মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারিতে স্বাধীন প্রতিষ্ঠান গড়ার তাগিদ ফলকার তুর্কের ইরানে ছোট গোল আলুর জন্য বড় বিল দিচ্ছেন ট্রাম্প মন্ত্রীর কাছে শুনি ‘তার লম্বা, তাই বিদ্যুৎ চলে যায়’: ডেপুটি স্পিকার সৌদির তেল স্থাপনায় ফের হামলা চিকিৎসা ব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার আহ্বান সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর শেখ হাসিনার নামে দেশে সম্পদের হিসাব ব্যাংক নিয়োগে স্বচ্ছতা ও মেধাভিত্তিক ব্যবস্থা নিশ্চিতের নির্দেশ দেশে অটোরিকশা ৮০ লাখ, অবৈধ চার্জে বছরে রাজস্ব ক্ষতি ৪ হাজার কোটি টাকা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘আমি দেশে ফেরার জন্য নির্দেশনা দিয়ে কাউকে বিপদে ফেলতে চাই না’ ‘যুক্তরাষ্ট্রের পাশে দাঁড়ালে ছাড় নয়’— দক্ষিণ কোরিয়াকে হুঁশিয়ারি ইরানের

চট্টগ্রাম বন্দরে এবার নিষিদ্ধ ঘনচিনির চালান জব্দ

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫

চট্টগ্রাম বন্দরে আমদানি নিষিদ্ধ কৃত্রিম মিষ্টিকারক সোডিয়াম সাইক্লামেট বা ঘনচিনির আরও একটি চালান জব্দ করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। জব্দ করা চালানটিতে প্রায় ৪ হাজার ২০০ কেজি ঘনচিনি পাওয়া গেছে।

বুধবার (১০ ডিসেম্বর) এনবিআর এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানায়। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেলের সহায়তায় চট্টগ্রাম কাস্টমসের গোয়েন্দা কর্মকর্তারা চালানটি জব্দ করেন। পরে পরীক্ষায় নিষিদ্ধ ঘনচিনি নিশ্চিত হওয়ার পর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে।

এনবিআর জানায়, ঢাকার কেরানীগঞ্জের এজাজ ট্রেডিং চীন থেকে ‘পলি অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড’ ঘোষণা দিয়ে একটি কনটেইনার পণ্য আমদানি করে। এই রাসায়নিক বর্জ্যপানি পরিশোধনে ব্যবহৃত হয়। গত ২১ অক্টোবর কনটেইনারটি চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায়। তবে ঘোষিত পণ্যের বিষয়ে সন্দেহ দেখা দিলে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ চালানটি খালাস স্থগিত করে।

গত ৬ নভেম্বর কনটেইনার খুলে ভেতরে দুই ধরনের পণ্য পাওয়া যায়। সেগুলোর নমুনা চট্টগ্রাম কাস্টমসের পরীক্ষাগারে রাসায়নিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে দেখা যায়, কনটেইনারে থাকা পণ্যের মধ্যে ১৭ হাজার ৮০০ কেজি পলি অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড হলেও বাকি ৪ হাজার ২০০ কেজি ছিল নিষিদ্ধ ঘনচিনি।

এনবিআর আরও জানায়, গত তিন মাসে চট্টগ্রাম বন্দরে এ ধরনের তিনটি ঘনচিনির চালান জব্দ করা হয়েছে। এসব চালানে মোট ১০৪ টন ঘনচিনি পাওয়া গেছে।

ঘনচিনি সাধারণ চিনির তুলনায় ৩০ থেকে ৫০ গুণ বেশি মিষ্টি এবং এটি জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। অসাধু ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন মিষ্টান্ন, বেকারি পণ্য, আইসক্রিম, পানীয়, শিশুখাদ্যসহ নানা খাদ্যপণ্যে সাধারণ চিনির পরিবর্তে এই কৃত্রিম মিষ্টিকারক ব্যবহার করে থাকেন। এতে ক্যানসারসহ কিডনি ও লিভারের মারাত্মক রোগের ঝুঁকি তৈরি হয় বলে জানায় এনবিআর।

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD