বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দিলেই কার্যকর হবে সৌদি পারমাণবিক চুক্তি: ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক চাপে আরো বেপরোয়া হয়ে উঠতে পারে ইরান রাশিয়ায় সিআইএ প্রধানের গোপন বৈঠক মক্কা চুক্তিতে অংশগ্রহণ বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির ভারসাম্যকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারে: রয়টার্স ঢাকায় ভুটানের রাজার যাত্রাবিরতি, সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন রাষ্ট্রপতি মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ দেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক, কী আলোচনা হলো ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ হবে বিরোধীদলের সবচেয়ে বড় প্রথম কর্মসূচি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সংবিধান অনুযায়ী শপথ নিয়েছেন, আইনের ব্যত্যয় ঘটেনি: মন্ত্রী নিষেধাজ্ঞা ইরানকে ভাঙতে পারেনি, আরও শক্ত করেছে

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে ভুল কীটনাশক প্রয়োগে কৃষকের চার লক্ষাধিক টাকার ফসল নষ্ট

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২০

 

লাইট নিউজ প্রতিবেদক : ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে কীটনাশক প্রয়োগের পর লাউ ও বেগুন ক্ষেতের সমস্ত ফসল নষ্ট হয়ে গেছে। ক্ষতির পরিমাণ প্রায় চার লক্ষাধিক টাকা। জানা গেছে, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের নাম সানোয়ার মোল্যা। তিনি উপজেলার চতুল ইউনিয়নের শুকদেবনগর গ্রামের গোলাম রসুল মোল্যার ছেলে। সানোয়ার মোল্যা জনৈক ব্যক্তির নিকট থেকে গুনবহা ইউনিয়নের ধোপাপাড়া গ্রামের ১ একর ৫০ শতাংশ জমি বার্ষিক ৩০ হাজার টাকায় বিশ বছরের জন্য লিজ নেন। তিনি ৭৫ শতাংশ জমিতে লাউ গাছ এবং সমপরিমাণ জমিতে বেগুনের চাষ করেন।

গত বৃ্হস্পতিবার ৯ জুলাই সকাল আটটায় ক্ষেতে কীটনাশক প্রয়োগ করেন। দুপুরবেলা দেখতে পান তার ক্ষেতের সব লাউ ও বেগুন গাছ নেতিয়ে পড়েছে। পরে দেখতে পান এক পর্যায়ে ক্ষেতের সব লাউ ও বেগুন গাছ মরে গেছে। ক্ষেতে প্রায় আড়াই হাজার লাউ ছিল। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক সানোয়ার মোল্যা জানান, তিনি ওই দিন পার্শ্ববর্তী অালফাডাঙ্গা উপজেলার শিরগ্রাম বাজারের ‘মেসার্স বিসমিল্লাহ ট্রেডার্স এণ্ড গ্যাস ভাণ্ডার’ নামক সার ও কীটনাশকের দোকান থেকে প্রয়োজনীয় কীটনাশক কিনে ক্ষেতে স্প্রে করি। এরপর ক্ষেতের সব লাউ ও বেগুন গাছ মারা যায়। এতে আমার প্রায় চার লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। লাউ ও বেগুন চাষে এ বছর আমার ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ওই সার ও কীটনাশকের দোকানে গিয়ে আমি একটি কীটনাশক চাই। কিন্তু জাহিদুর রহমান ফুল মিয়া সেই কীটনাশক না দিয়ে ‘এমকিল’ নামক একটি ওষুধ দেন। এই ওষুধ দেয়ার পরেই আমার সব গাছ মরে যায়। লাউ ও বেগুন গাছ মরে যাওয়ার পর ওই দোকানে ওষুধের প্যাকেট নিয়ে গেলে তিনি ওই প্যাকেট কৌশলে রেখে দেন।

‘মেসার্স বিসমিল্লাহ ট্রেডার্স এন্ড গ্যাস ভাণ্ডার’ এর মালিক জাহিদুর রহমান ফুল মিয়া। তিনি কৃষকের চাহিদামত কীটনাশক না দিয়ে নিজের লাভ বেশি হয় কিন্তু গুনগত মানে খারাপ-এমন কীটনাশক বিক্রি করেন। তার বিরুদ্ধে লেভেলবিহীন কীটনাশক বিক্রি করারও অভিযোগ রয়েছে। গত বছর তিনি এক কৃষককে ধানের ক্ষেতে প্রয়োগ করার জন্য যে কীটনাশক দেন তাতে তার ৪০ শতাংশ ধানক্ষেত নষ্ট হয়ে যায় বলে অভিযোগ। ‘মেসার্স বিসমিল্লাহ ট্রেডার্স এন্ড গ্যাস ভাণ্ডার’ এর গ্যাস বিক্রি ও কীটনাশক বিক্রির লাইসেন্স নেই বলে তিনি সাংবাদিকদের কাছে স্বীকার করেন।

অভিযোগের ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে ‘মেসার্স বিসমিল্লাহ ট্রেডার্স এন্ড গ্যাস ভাণ্ডার’ এর মালিক জাহিদুর রহমান ফুল মিয়া বলেন, আমি ঠিক ওষুধ দিয়েছি। গাছ মরে গেলে আমি কি করব।

লাইট নিউজ/এসএমআবা

 

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD