শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ০৪:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিশ্ববাজারে আরও কমল স্বর্ণের দাম বেইজিংয়ের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি ও কৌশলগত সম্পর্ক তৈরি হয়েছে: মাহদী আমিন বেইজিংয়ে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির জাদুঘর পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী ফোনে ভূমিকম্পের আগাম সতর্কবার্তা পেতে যা করবেন চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের ১৭ সমঝোতায় স্বাক্ষর ইরানের পক্ষে যুদ্ধে নামতে প্রস্তুত ছিল তুরস্ক, দাবি ট্রাম্পের সামান্য ভুলেই বাতিল হতে পারে ভারতীয় ট্যুরিস্ট ভিসার আবেদন ইউক্রেনকে ইউরেনিয়াম দিচ্ছে যুক্তরাজ্য, যে বার্তা দিল রাশিয়া তিয়েনআনমেন স্কয়ারে চীনা বীরদের প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে চীনের প্রেসিডেন্ট

একদিনে এবি ব্যাংক থেকে ১২১ কর্মীকে ছাঁটাই

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২০

বেসরকারি মালিকাধীন এবি ব্যাংক লিমিটেড করোনার ধাক্কা সামাল দিতে একসঙ্গে ১২১ জন ব্যাংক কর্মীকে ছাঁটাই করেছে। গত ৮ জুলাই ১২১ কর্মীর উদ্দেশ্যে চাকুরিচ্যুতির নির্দেশনা জারি করে এবি ব্যাংক। সেই নির্দেশনা আজ থেকে কার্যকর হচ্ছে।

এর আগে, গত এপ্রিল থেকেই ছাঁটাই প্রক্রিয়া শুরু করেছে এ বি ব্যাংক। এ নিয়ে গত দুই/তিন মাসে দেড় শতাধিক কর্মীকে ছাঁটাই করছে ব্যাংকটি। ব্যাংকের একাধিক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সূত্র জানায়, রোববার(১২ জুলাই ) থেকে কিছু কর্মী ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। ছাঁটাই হওয়া কর্মীদের উদ্দেশ্যে এব নির্দেশনায় বলা হয়, আপনাদের সকল বকেয়া এবং পাওনা পরিশোধ করা হবে। এবি ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী সকলকে তিন মাসের বেতন প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ভবিষ্যতে ব্যাংক টিকিয়ে রাখার জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ অবস্থায় ব্যাংক আর অতিরিক্ত খরচ পরিচালনা করতে পারছে না। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা নিলে তার জন্য তিনি নিজেই দায়ী থাকবেন।

এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, করোনা সময়ে ব্যাংক কর্মীদের উৎসাহ দেওয়ার জন্য ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। যাতে করে কর্মীদের নানা প্রণোদনা দিয়ে উজ্জীবিত করা হয়। ফলে কোনো ব্যাংক কর্মীর বেতন কমানো, ইনক্রিমেন্ট বন্ধ রাখা কিংবা ছাঁটাই করা বাংলাদেশ ব্যাংক সমর্থন করে না। এটা নীতিগতভাবেও ঠিক না বরং অমানবিক কাজ।

অন্যদিকে এ ব্যাপারে জানতে এবি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারিক আফজালকে একাধিকবার মোবাইলে ফোন দিলেও তিনি কোনো সাড়া দেননি।

সূত্র জানায়. দেশের প্রথম সারির এ ব্যাংকটি উদ্যোক্তা পরিচালকদের লুটপাট অনিয়েম আর খেলাপি ঋণের কারণে ব্যাংকটি বর্তমানে নাজুক অবস্থায় রয়েছে। তারা শুধু ব্যাংক থেকে ঋণের নামে নেওয়া বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করে বিদেশে পাচার করার অভিযোগ রয়েছে। গত ২৩ জানুয়ারি জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা এক প্রতিবেদন অনুসারে, দেশের সব ব্যাংকের পরিচালকদের মধ্যে এবি ব্যাংকের পরিচালকরা নিজ ব্যাংক থেকে সর্বোচ্চ ঋণ নিয়েছেন। তাদের ঋণের স্থিতি ৯০৭ কোটি ৪৭ লাখ টাকা।

উল্লেখ্য বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারি ব্যাংক হিসেবে ১৯৮২ সালে যাত্রা শুরু করে আরব বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রতিষ্ঠার ২৫ বছর পর ব্যাংকটির নাম বদল করে রাখা হয়েছে এবি ব্যাংক। সারাদেশে ও দেশের বাইরে ১০৫টি শাখা, ৩০০টির বেশি এটিএম বুথ এবং ৫টি সহযোগী কোম্পানি রয়েছে। বর্তমানে এবি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংখ্যা প্রায় ২ হাজার ২০০ জন।

লাইট নিউজ

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD