সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
‘আমি দেশে ফেরার জন্য নির্দেশনা দিয়ে কাউকে বিপদে ফেলতে চাই না’ ‘যুক্তরাষ্ট্রের পাশে দাঁড়ালে ছাড় নয়’— দক্ষিণ কোরিয়াকে হুঁশিয়ারি ইরানের বৈধভাবে বছরে ১০ হাজার শ্রমিক ইতালিতে যাওয়ার সুযোগ আছে: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিতে জাপানকে ভূমিকা রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৫১৪, মামলা ৬১ সংঘাত-প্রতিশোধ নয়, সহনশীল রাজনীতি করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উপজেলা নির্বাচনে পোস্টার-মিছিল নিষিদ্ধ খেলার নিয়ম পাল্টে গেছে, যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের হুঁশিয়ারি ইমাম-মুয়াজ্জিন-পুরোহিতদের সম্মানী ও ভাতা দিচ্ছে সরকার, প্রজ্ঞাপন জারি

আন্দোলনকারীদের যমুনার সামনে থেকে সরিয়ে দিয়েছে পুলিশ

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

নবম পে-স্কেল ঘোষণার দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে অবস্থান নেওয়া সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপর দফায় দফায় লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করেছে পুলিশ। এতে এক পর্যায়ে যমুনার সামনে থেকে সরে গেছেন আন্দোলনরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

আজ (শুক্রবার) দুপুর ১টার পর আন্দোলনকারীরা যমুনা এলাকা ছেড়ে শাহবাগের দিকে সরে যেতে বাধ্য হন। এ সময় কয়েকজন আন্দোলনকারীকে আটকও করা হয়েছে।

আন্দোলনকারী আব্দুল মালেক বলেন, “আমরা কোনো বিশৃঙ্খলা করতে আসিনি। আমাদের ন্যায্য দাবি জানাতেই এখানে বসেছিলাম। সরকার আমাদের কথা শুনবে, এই বিশ্বাস থেকেই শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি ছিল। কিন্তু কোনো আলোচনা ছাড়াই আমাদের ওপর টিয়ারশেল আর গ্রেনেড ছোড়া হলো।”

আরেক আন্দোলনকারী শারমিন আক্তার বলেন, “আমরা রাষ্ট্রের কর্মচারী। আজ আমাদের সঙ্গে যেভাবে আচরণ করা হয়েছে, তাতে খুব অপমানিত বোধ করছি। দাবি জানাতে এলে যদি গ্রেনেড আর লাঠিচার্জের মুখে পড়তে হয়, তাহলে কথা বলার জায়গাটা কোথায়?”

এর আগে বেলা ১১টার দিকে তারা ঘোষণা দিয়ে যমুনার অভিমুখে মিছিল নিয়ে রওনা হন। শাহবাগ মোড়ে পৌঁছালে সেখানে প্রথম পুলিশি বাধার মুখে পড়েন আন্দোলনকারীরা। বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন থাকলেও সেখানে লাঠিচার্জ করা হয়নি। তবে জলকামান ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করা হয়।

এরপর পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে আন্দোলনকারীরা হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড় হয়ে যমুনার সামনে পৌঁছান। সেখানে তারা সড়কে বসে পড়ে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। বেলা সাড়ে ১১টার পর সেখানে আরও বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়। একই সঙ্গে বিজিবি সদস্যরাও ঘটনাস্থলে আসেন।

প্রথমে আন্দোলনকারীদের শান্তিপূর্ণভাবে সরে যাওয়ার অনুরোধ জানায় পুলিশ। তবে তারা সরে যেতে অস্বীকৃতি জানালে পুলিশ অ্যাকশনে যায়। আন্দোলনকারীদের সরিয়ে দিতে বারবার জলকামান, সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করা হয়।

পুলিশি অভিযানের মুখে আন্দোলনকারীরা রমনা পার্কের ভেতরে ঢুকে পড়েন। সেখানেও পুলিশ তাদের ধাওয়া দিয়ে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

দুপুর ১২টার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশ ব্যাপকভাবে আন্দোলনকারীদের ধাওয়া দেয়। এ সময় একাধিক সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করা হয়। এতে বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারী আহত হন বলে জানা গেছে।

দুপুর ১টার পর আন্দোলনকারীরা যমুনা এলাকা পুরোপুরি ছেড়ে শাহবাগের দিকে সরে যান। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ৪ থেকে ৫ জন আন্দোলনকারীকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে নারায়ণগঞ্জ ও লক্ষ্মীপুর থেকে আসা আন্দোলনকারীরাও রয়েছেন বলে জানা গেছে।

 

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD