করোনা দুর্যোগের কারণে গত মার্চে যখন শুটিং বন্ধ হয় তখন থেকে নিজেকে ঘরবন্দি করে ফেলেন জনপ্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী। স্বাস্থ্যবিধি মেনে গেল ঈদের পর থেকে শুটিংয়ে অনুমতি মিললে অনবরত কাজের প্রস্তাব পেলেও কর্ণপাত করেননি তিনি। এর চেয়ে ঘরে থাকাটাকেই বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে করেছেন। তবে পরিস্থিতি এখন অনেকটাই পাল্টে গেছে।
ঈদের নাটক নির্মাণ নিয়ে নাটকপাড়া সরগরম হয়ে উঠেছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে রাজধানীর স্পটগুলোর পাশাপাশি গাজীপুরের পূবাইলের স্পটগুলোতেও প্রতিদিন শুটিং হচ্ছে। এ যখন অবস্থা তখন আগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন চঞ্চল চৌধুরী। এরই মধ্যে একাধিক নাটকে অভিনয়ের সিডিউল দিয়েছেন।
১১ জুলাই থেকে মাসুদ সেজান পরিচালিত ‘চরিত্র প্রেমিক’ নামের একটি ঈদ ধারাবাহিক নাটকে অভিনয়ও শুরু করেছেন। এছাড়া সাগর জাহান, শামীম জামানসহ আরও কয়েকজন নির্মাতার নাটকে তিনি অভিনয় করবেন বলে জানিয়েছেন।
সব নাটকই ঈদে প্রচার হবে। এ প্রসঙ্গে চঞ্চল চৌধুরী বলেন, ‘অনেকদিন ঘরে ছিলাম। সচেতনভাবেই থাকার চেষ্টা করেছি। এর মধ্যে অনেক নাটকেই কাজের প্রস্তাব পেয়েছি। কিন্তু সব নাটকের গল্পও আবার পছন্দ হয়নি। যেগুলোর গল্প ভালো এবং কাজের পরিবেশ নিরাপদ, সে নাটকেই শুধু অভিনয় করব এখন। যদি কোনো সমস্যা না হয় তাহলে আগামী পনেরো দিন একটানা শুটিং করার পরিকল্পনা আছে।
এরপর পরিস্থিতি ঠিক থাকলে কন্টিনিউ করব। তবে এখনই সেটা বলতে পারছি না। আশা করছি সব নাটকই উপভোগ্য হবে।’ এদিকে করোনার প্রভাব শুরু হওয়ার আগে দুটি নতুন ছবির শুটিং শেষ করেছেন এ অভিনেতা। এগুলো হল গিয়াসউদ্দিন সেলিমের পরিচালনায় ‘পাপপুণ্য’ এবং মেজবাউর রহমান সুমনের পরিচালনায় ‘হাওয়া’। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই ছবি দুটি মুক্তির প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে জানিয়েছেন এ অভিনেতা।
লাইট নিউজ