জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতির চাপের মধ্যেই ১০ হাজার টন ডিজেল ও ২০ হাজার টন জেট ফুয়েল নিয়ে একটি জাহাজ বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দেশে পৌঁছেছে। ইউনিপেক নামের চীনের একটি প্রতিষ্ঠান চুক্তি অনুযায়ী ‘এমটি গ্রান কুভা’ নামের জাহাজে এই জ্বালানি সরবরাহ করেছে।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, জাহাজটি সিঙ্গাপুর থেকে কুতুবদিয়া উপকূলে পৌঁছেছে। এছাড়াও ওমান থেকে ‘বুইক বোর্নহোম’ নামে আরেকটি জাহজ এলপিজি নিয়ে সীতাকুণ্ড এলাকায় এসে পৌঁছেছে। জাহাজে আনা ডিজেল পরিবহন ও শিল্প খাতে ব্যবহার করা হবে। অন্যদিকে জেট ফুয়েল সরবরাহ করা হবে দেশের বিমানবন্দরগুলোতে।
দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম বন্দরে এলএনজি, এলপিজি ও তেলবাহী জাহাজের আগমন ও খালাস কার্যক্রম পুরোদমে চলছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের (সিপিএ) মেরিন ডিপার্টমেন্টের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন দেশ থেকে আসা একাধিক জাহাজ ইতোমধ্যে পণ্য খালাস সম্পন্ন করে বন্দর ত্যাগ করেছে, পাশাপাশি নতুন জাহাজ আগমন ও খালাস কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
বন্দর কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ওমান থেকে আসা ‘এলপিজি সেভান’ ব্রাভো পয়েন্টে এবং মালয়েশিয়া থেকে আসা ‘মর্নিং জেন’ চার্লি পয়েন্টে অবস্থান করছে। এছাড়া থাইল্যান্ড থেকে বেস অয়েল নিয়ে আসা ‘এবি অলিভিয়া’ ডিওজে/৪ পয়েন্টে নোঙর করে রয়েছে।
বন্দর সংশ্লিষ্টরা জানান, আগামী দিনগুলোতে জ্বালানি আমদানির প্রবাহ আরও জোরদার হবে। আজ বৃহস্পতিবার অস্ট্রেলিয়া থেকে ‘এইচএল পাফিন’ নামের একটি এলএনজি জাহাজ বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
এছাড়া আগামীকাল ইন্দোনেশিয়া থেকে ‘নিউ ব্রেভ’ এবং ৪ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র থেকে ‘সেলসিয়াস গ্যালাপাগোস’ এলএনজি নিয়ে আসবে। অন্যদিকে ৩১ মার্চ মালয়েশিয়া থেকে ‘পিভিটি সোলানা’ নামের একটি ডিজেলবাহী জাহাজ বন্দরে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।