রংপুর বিভাগের নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলায় জন্ম আব্দুল গাফফার সাকলাইনের।
সেখানেই বেড়ে উঠেছেন, খেলেছেন ক্রিকেট। তবে সেটা টেপ টেনিস বলে। ক্রমেই হয়ে উঠেছিলেন টেপ বলের তারকা ক্রিকেটার। এরপর চলে আসেন ঢাকায়, নিয়মিত চালিয়ে যান অনুশীলন।
পরবর্তীতে ক্লাব ক্রিকেটে খেলেছেন- থার্ড ডিভিশন, সেকেন্ড ডিভিশন, ফার্স্ট ডিভিশন। এরপর খেলেন ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ। সবশেষ চলতি বছরে খেলেছেন বিপিএলও। বল হাতে নজর কাড়া পারফরম্যান্সও করেছেন। তারই ফলস্বরূপ এবার ডাক পেলেন জাতীয় দলে। আজ মঙ্গলবার নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম দুই টি-টোয়েন্টি সিরিজের দল ঘোষণা করেছে বিসিবি।
যেখানে প্রথমবারের মতো জাতীয় দলে ডাক পেলেন সাকলাইন। কত শ্রম, কত বিনিদ্র রজনী, কত হতাশা সবই যেন আজ স্বার্থক রংপুর বিভাগের এই ক্রিকেটারের। ভুল বললাম, সাকলাইন তো এখন গোটা বাংলাদেশের। লাল সবুজের জার্সি গায়ে চাপানো মানেই সে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৫৭০ বর্গ কিলোমিটার জুড়েই।
সাকলাইনের এমন সফলতায় দারুণ খুশি তার পরিবারও। বর্তমানে বিসিএল খেলার কারণে সিলেটে রয়েছেন এই অলরাউন্ডার। দলে ডাক পাওয়ার পর সঙ্গে আলাপকালে জানিয়েছেন নিজের অনুভূতির কথা।
শুরুতে সাকলাইন বলেন, ‘জি আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহপাকের কাছে লাখো-কোটি শুকরিয়া। তিনি আমাকে এই সুযোগটা করে দিয়েছেন।’
‘জাতীয় দলের হয়ে খেলার জন্য প্রত্যেকটা খেলোয়াড়েরই তো স্বপ্ন থাকে। সবাই তো ক্রিকেট খেলে দেশকে একদিন প্রতিনিধিত্ব করবে সেই স্বপ্নে। সে কারণে আমার ক্ষেত্রেও ব্যতিক্রম কিছু ছিল না। আমার হাতে ছিল শুধু পারফর্ম করা, অনুশীলন করা, ফিট থাকা। আমি সেটাই করেছি, বাকিটা আল্লাহর ইচ্ছাতে হয়েছে।’
সাকলাইনের কাছে জানতে চাওয়া হয় সঠিক সময়ে জাতীয় দলে ডাক পেয়েছেন কি না। জবাবে বললেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ যখনই পেলাম। এটা নিয়ে আসলে তেমন কিছু বলতে চাই না। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া এখন নিজের পারফর্মটা করার লক্ষ্যই থাকবে।’