গাবতলীতে নির্মাণাধীন পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের আবাসন প্রকল্প এবং গাবতলী বাস টার্মিনালের যানজট নিরসনে বাইপাস সড়ক নির্মাণকাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) গাবতলীতে নির্মাণাধীন পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের আবাসন প্রকল্প এবং গাবতলী বাস টার্মিনালের যানজট নিরসনে বাইপাস সড়ক নির্মাণকাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন তিনি।
প্রশাসক জানান, ১৫ তলা বিশিষ্ট ৪টি ভবনে মোট ৭৮৪টি ফ্ল্যাট থাকবে। প্রতিটি ফ্লোরে ১৬টি ইউনিট এবং প্রতিটি ফ্ল্যাটের আয়তন ৫৬০ স্কয়ার ফিট।
ভবনের অগ্নি নিরাপত্তা নিশ্চিতে ফায়ার এক্সিট ও ফায়ার প্রিভেনশনসহ সব ধরনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রতিটি ভবনে থাকবে ৬টি করে লিফট। আবাসন কমপ্লেক্সে শিশুদের জন্য স্কুল, সবুজায়ন, মসজিদ ও উন্নত সড়ক ব্যবস্থাসহ বসবাসের প্রয়োজনীয় সব সুবিধা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
প্রশাসক আরও বলেন, ভবনগুলোর কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। অল্প কিছু কাজ বাকি আছে। আশা করছি, জুলাইয়ের শেষ বা আগস্টের শুরুতে এসব ফ্ল্যাটের চাবি পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের হাতে তুলে দিতে পারবো।
এরপর প্রশাসক গাবতলি বাস টার্মিনাল এলাকায় যানজট নিরসনের লক্ষ্যে নির্মিতব্য নতুন বাইপাস সড়কের কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, যানজট নিরসনে আন্তঃজেলা বাসগুলোকে শহরের ভেতরে প্রবেশ করতে দেয়া হবে না। শহরের ভেতরে যেসব টিকিট কাউন্টারের বৈধতা নেই, সেগুলো উচ্ছেদ করা হচ্ছে।
এ সময় আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে রাজধানীতে পশুর হাটের ইজারা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে প্রশাসক বলেন, সাধারণ মানুষের সুবিধা এবং ঈদযাত্রায় যেন বিঘ্ন না ঘটে, সে বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে রাজধানীতে হাটের স্থান নির্বাচন করা হয়েছে। হাটগুলো ইজারা দেওয়ার জন্য নিয়মমাফিক ইজারা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে এবং সর্বোচ্চ দরদাতাকেই হাটের ইজারা দেওয়া হবে।
পরিদর্শনকালে ডিএনসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রকিবুল হাসান এবং অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী খন্দকার মাহবুব আলমসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।