লন্ডনে বৃহত্তর সিলেট এডুকেশন ট্রাস্ট (বিইএসইটি) আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী ও কমিউনিটি নেটওয়ার্কিং অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘মিট অ্যান্ড গ্রিট – ঈদ পুনর্মিলনী’ শীর্ষক এ আয়োজনে কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, ট্রাস্টি, সদস্য ও অতিথিরা অংশ নেন।
সোমবার (১১ মে) লন্ডন এন্টারপ্রাইজ একাডেমিতে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে ২ শতাধিক অতিথির উপস্থিতিতে সৃষ্টি হয় প্রাণবন্ত ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ। ঈদ পুনর্মিলনীর আনন্দঘন আয়োজনের পাশাপাশি এটি ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ কমিউনিটি নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্ম।
অনুষ্ঠানে বৃহত্তর সিলেট এডুকেশন ট্রাস্টের চলমান শিক্ষা ও সমাজসেবামূলক কার্যক্রম তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে নতুন ট্রাস্টি ও সদস্যদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয় অতিথিদের সঙ্গে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন ডক্টর সৈয়দ মাশুক আহমদ। পরে বিইএসইটি’র চেয়ারম্যান মহিব উদ্দিন উপস্থিত অতিথিদের স্বাগত জানান এবং অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক দিলওয়ার হোসেন এবং ট্রাস্টি জামাল উদ্দিন। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন প্রেস ও পাবলিসিটি সেক্রেটারি হাবিবুর রহমান, ট্রাস্টি কায়সার খান এবং দেলোয়ার হোসাইন দিলু।
অনুষ্ঠানে বিশেষভাবে আলোচনায় আসে সিলেটে অটিজম ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য একটি বিশেষায়িত স্কুল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা। উদ্যোগটি উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করে।
অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সৈয়দ মহিবুর রহমান,আব্দুল বারী, কাউন্সিলর সৈয়দ আবুল বশর, তোফাজ্জল মিয়া, আবুল লেইছ, ইঞ্জিনিয়ার হাবিবুর রহমান, কায়সার খান, আমিনুল হক জিলু, দিলওয়ার হুসাইন, মামুন রশিদ, শায়েস্তা চৌধুরী, করিম উদ্দিন, আকবর হোসেন, আব্দুল হাই, এ কে ইয়াহইয়া, শামসুল হক, মোহাম্মদ মজনু মিয়া, নাজাম উদ্দিন, সৈয়দুর রহমান বিপুল, সিদ্দিকুর রহমান জয়নাল এবং আরমান আলী।
বক্তারা বৃহত্তর সিলেট এডুকেশন ট্রাস্টের শিক্ষা ও মানবিক কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং সংগঠনটির ভবিষ্যৎ কার্যক্রমে সহযোগিতার আশ্বাস ব্যক্ত করেন।
পরিশেষে অতিথিদের সম্মানে নৈশভোজের আয়োজনের মধ্য দিয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে শেষ হয় বৃহত্তর সিলেট এডুকেশন ট্রাস্টের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান।
উল্লেখ্য, বৃহত্তর সিলেট এডুকেশন ট্রাস্ট আথসামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। গত দুই বছরে প্রায় ৬০ হাজার পাউন্ড সংগ্রহ ও বিতরণের মাধ্যমে চার হাজারের বেশি শিক্ষার্থী উপকৃত হয়েছে। বিশেষ করে সিলেট অঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের শিক্ষাসহায়তায় বিইএসইটি অগ্রনী ভূমিকার পালন করছে।