বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ১২:৪৬ পূর্বাহ্ন

আসামীদের আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানি চলছে

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় বুধবার বেলা ১১টার দিকে আত্মপক্ষ সমর্থনের বক্তব্য রাখছেন রাষ্ট্র নিয়োজিত আসামী পক্ষের আইনজীবী মূসা কলিমু্ল্ল্যাহ। আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেছেন তিনি।

ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থনে এ শুনানি শুরু হয়। এর আগে আসামি রানা ও তার স্ত্রীকে আদালতে তোলা হয়।

এদিন শুনানি করতে সকাল সোহেল রানাকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার এবং স্বপ্না আক্তারকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ঢাকার আদালতে আনা হয়। এরপর তাদের মহানগর হাজতখানায় রাখা হয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। মামলায় তালিকাভুক্ত ১৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জন সাক্ষ্য দেন।

সাক্ষীদের মধ্যে ছিলেন রামিসার বাবা ও মামলার বাদী আব্দুল হান্নান মোল্লা, মা পারভীন আক্তার, বড় বোন রাইসা আক্তার, ফুপু মাহমুদা আক্তার, চাচা মিজানুর রহমান লিটন, প্রতিবেশী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা, চিকিৎসক, পুলিশ সদস্য, ম্যাজিস্ট্রেট এবং তদন্ত কর্মকর্তা।

গত সোমবার একই আদালত সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ১৯ মে সকালে পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকার একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা নিখোঁজ হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা পাশের ফ্ল্যাটের বাসিন্দা সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের কক্ষের সামনে তার স্যান্ডেল দেখতে পান। দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে তারা খাটের নিচে রামিসার মাথাবিহীন মরদেহ এবং বাথরুমের একটি বালতিতে তার বিচ্ছিন্ন মাথা দেখতে পান।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, সোহেল রানা শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করে এবং লাশ গুমের উদ্দেশ্যে মাথা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করেন। পরে জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যান। ঘটনাস্থল থেকে স্বপ্না আক্তারকে আটক করা হয় এবং পরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্ত চলাকালে সোহেল আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দিও দেন।

ঘটনার দিনই রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় দুইজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে গত ২৪ মে পল্লবী থানার এসআই মো. অহিদুজ্জামান দুই আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

অভিযোগপত্র গ্রহণের পর মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। এরপর ট্রাইব্যুনাল অভিযোগপত্র গ্রহণ করে বিচার কার্যক্রম শুরু।

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD