শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ০৬:৫৫ অপরাহ্ন

নতুন অর্থবছরে ঢাবির বাজেট ৮৬৯ কোটি টাকা

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২০

২০২০-২১ অর্থবছরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাজেট অনুমোদন পেয়েছে ৮৬৯ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। যা গত বছরের তুলনায় ৫৯ কোটি টাকা বেশি। গত বছরের বাজেট ছিল ৮১০ কোটি। এ বছরের বাজেটকে গতানুগতিক বলা হলেও বেশ কয়েকটি নতুন খাত সৃষ্টি ও সেসব খাতে বরাদ্দ বাড়িয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে নতুন অর্থবছরের বাজেট উত্থাপন করেন ভারপ্রাপ্ত কোষাধ্যক্ষ ও উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) ড. মুহাম্মদ সামাদ।

অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেন সিনেটের চেয়ারম্যান ও উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজামান।

বাজেটে দেখা যায়, নতুন অর্থ বছরের জন্য ৮৬৯ কোটি ৫৬ লাখ টাকার বাজেট অনুমোদন করা হয়েছে। প্রস্তাবিত এ বাজেটে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) থেকে ৭৪৮ কোটি টাকা এবং বিশ্ববিদ্যালয় নিজস্ব আয় থেকে ৭১ কোটি টাকা পাওয়ার কথা বলা হয়েছে।

এ বছর নতুন কিছু খাত সৃষ্টি ও বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে দাবি করে কোষাধ্যক্ষ ড সামাদ বলেন, ‘শিক্ষকদের গবেষণা প্রবন্ধ আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশে সহায়তা করার জন্য ১ কোটি টাকা বরাদ্দ এবং শিক্ষার্থীদের জন্য দেশে বিদেশে শিক্ষা বিনিময় খাত তৈরি করে মূল বাজেটে ১ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এছাড়া বঙ্গবন্ধুকে মরণোত্তর ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদানের জন্য বিশেষ সমাবর্তন খাতে নিয়মিত বরাদ্দের অতিরিক্ত ২ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। আবাসিক টেলিফোন ভাতা ৩ কোটি, বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষপূর্তি ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর জন্য ২১ কোটি টাকা বরাদ্দ ও কোভিড-১৯ মোকাবিলার জন্য ১ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এ বছর গবেষণা খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে মূল বাজেটের ১.১৯%। সবচেয়ে বেশি ব্যয় ধরা হয়েছে শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের বেতন ভাতা বাবদ। যা মূল বাজেটের ৬৯%।’

বাজেট উত্থাপনকালে কোষাধ্যক্ষ বলেন, ‘ছাত্র শিক্ষক কর্মকর্তা কর্মচারীসহ বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের জীবনমান বৃদ্ধি ও সার্বিক নিরাপত্তা বিধানের ব্যয় শিক্ষার অন্য যেকোনো ব্যয়ের চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। এসব বিষয় সমূহ বিবেচনা নিয়েই আগামী বছরের জন্য আমরা একটি কল্যাণমুখী বাজেট প্রণয়নের চেষ্টা করেছি।’

তবে অনলাইন ক্লাসে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিতকল্পে অসহায় শিক্ষার্থীদের জন্য কোনো ধরনের বাজেট বরাদ্দ করতে না পারায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন তিনি।

উল্লেখ্য, সিনেটের প্রথম বার্ষিক অধিবেশন বসে গত মাসের ১৪ জুন। করোনাকালীন পরিস্থিতির কারণে বাজেট তৈরি না হওয়ায় ওই অধিবেশনে উত্থাপন করা যায়নি বাজেট। পরে বাজেট অধিবেশনের জন্য মুলতবি করা হয় সিনেটের অধিবেশন। দীর্ঘ প্রায় দেড় মাস পর স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে যথাসম্ভব সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে শেষ করা হয়েছে এ অধিবেশন।

লাইট নিউজ

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD