সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২১৪ কোটি ৮০ লাখ ডলার রোহিঙ্গা সংকটের দায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সম্মিলিতভাবে নিতে হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার মাজারে শ্রদ্ধা জানালেন জহির উদ্দিন স্বপন মধ্যবর্তী নির্বাচনে হারলে আমাকে অভিশংসিত করা হবে: ট্রাম্প হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৩ শিশুর সততা ও মেধার ভিত্তিতে পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে দায় নিতে হবে’—রংপুরে চারজনকে হত্যার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ জামায়াত আমিরের আমরা এখন ইসরায়েলকে বিশ্বাস করি না: সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা শুরু ৮ ডিসেম্বর, সময়সূচি প্রকাশ অস্ট্রেলিয়ায় নিয়মিত খেলতে চান শান্ত

‘পুঁজিবাজারে ওয়ালটনের তালিকাভুক্তি সমর্থন করি’

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২০

অর্থনৈতিক রিপোর্টার : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেছেন, ‘পুঁজিবাজারে ওয়ালটনের তালিকাভুক্তিকে আমি সমর্থন করি। কারণ, কোম্পানিটি বর্তমানে দেশের ইলেকট্রনিক্স পণ‌্যের মার্কেটের ৫০ শতাংশ দখল করে রেখেছে। যেসব কোম্পানির বেচা-কেনা নেই, এরকম ১০টি কোম্পানি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত করে লাভ নেই। যেসব কোম্পানির ব্যবসা রয়েছে, বেচা-বিক্রি বেশি রয়েছে, তাদেরকে পুঁজিবাজারে আনতে হবে।’

সোমবার (৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (বিএসইসি) ‘বিশ্ব বিনিয়োগকারী সপ্তাহ’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডির সম্মানিত ফেলো অধ্যাপক ড. মুস্তাফিজুর রহমান।

আবু আহমেদ বলেন, ’১৫-২০ বছর আগে শেয়ারবাজারকে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে থেকে কখনো গুরুত্ব দেওয়া হতো না। কিন্তু এখন শেয়ারবাজারকে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘বর্তমানে পুঁজিবাজার ভালো অবস্থায় থাকলেও, এটা স্থির নয়। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী নিয়ে যদি বাজারকে খুব ভালো করা হয়, তবুও সেটা দীর্ঘ সময়ের জন্য না। সূচক-লেনদেন অনেক বেড়ে গেলেও সেটা ভালো পুঁজিবাজার নয়।’

পুঁজিবাজারের এ বিশেষজ্ঞ বলেন, ‘গত ১০ বছরে যেসব কোম্পানি তালিকাভুক্ত হয়েছে, তার মধ্যে ৯৯ শতাংশ দুর্বল। এর মধ্যে অনেক কোম্পানি আছে, এক বছরের মধ্যে ফেসভ্যালুর নিচে শেয়ারমূল্য চলে এসেছে। যারা প্রিমিয়াম নিয়েছিল, অনেক কোম্পানি প্রিমিয়ামের নিচে চলে এসেছে।’

আইপিও প্রসঙ্গে আবু আহমেদ বলেন, ‘আইপিও অনুমোদনে বিএসইসিকে আরও শক্তিশালী হতে হবে। কারও চাপে নমনীয় হয়ে আইপিও অনুমোদন দেওয়া যাবে না। আশা করি, এই কমিশন শক্ত হয়ে দাঁড়াবে। ভালো ভালো কোম্পানির আইপিওর অনুমোদন দেবে। এ কাজের জন্য কমিশনে একটি গবেষণা কেন্দ্র রাখতে হবে। এখান থেকে ভালো ভালো কোম্পানিগুলো যাচাই-বাছাই করবে। এই কোম্পানিগুলোকে পুঁজিবাজারে আনতে কী কী কাজ করতে হবে, তারা সেটা দেখবে।’

মিউচুয়্যাল ফান্ডের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘পুঁজিবাজারে মিউচুয়্যাল ফান্ডের যে দুরবস্থা, এর জন্য বিএসইসির দায় রয়েছে। মিউচুয়্যাল ফান্ডের সঠিক র‌্যাংকিং এবং তদারকি না করতে পারলে তাদের অবস্থা ভালো করা মুশকিল। এই জন্য বিএসইসিকে দায়িত্ব নিতে হবে।’

লাইটনিউজ

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD