সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
‘আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র নয়’ আত্মনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানুয়ারিতে সংসদে উঠবে সংবিধান সংশোধন বিল, পাস হলেই হবে গণভোট খুব শিগগিরই সুপেয় পানির জন্যও যুদ্ধে নামতে হতে পারে: পানিসম্পদমন্ত্রী বাংলা কিউআর লেনদেনে ২ হাজার টাকায় ৬ টাকা প্রণোদনা জুলাই-আগস্টে ৮৬২৬ কোটি টাকার বিদেশি ঋণ পরিশোধ প্রধানমন্ত্রীর আসনে সম্পত্তি দখলের দুঃসাহস কাদের, প্রশ্ন নাহিদের আদাবরে বাড়ি দখলের চেষ্টা, দেশি অস্ত্র নিয়ে হামলা-ভাঙচুর ইসি ভালো নির্বাচন আয়োজনে বদ্ধ পরিকর: সিইসি ভারতের পাঞ্জাবে তীব্র আন্দোলন, যুদ্ধবিমান-ট্যাংকের ওপরে শিক্ষার্থীরা

৩৯ মুক্তিযোদ্ধা কর্মকর্তাকে ভূতাপেক্ষ পদমর্যাদা-সুবিধা দিতে হাইকোর্টের রায়

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২০

স্বাধীন বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত প্রথম বিসিএস (১৯৭৩) পরীক্ষার মাধ্যমে প্রশাসন ক্যাডারে নিয়োগ পাওয়াদের মধ্যে পদোন্নতি বঞ্চিত যুগ্ম সচিব ও উপ-সচিব পদের ৩৯ মুক্তিযোদ্ধাকে প্রাপ্যতা অনুযায়ী ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি এবং সে অনুযায়ী সকল সুযোগ-সুবিধা দিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। রায়ে বলা হয়েছে, অবসরে যাওয়া এসব কর্মকর্তা ১৯৯৮ সালে করা ‘উপ-সচিব, যুগ্ম সচিব, অতিরিক্ত সচিব ও সচিব পদে পদোন্নতি/ নিয়োগের নীতিমালা’ অনুযায়ী পদোন্নতিসহ আনুসাঙ্গিক সুবিধা ও পদমর্যাদা পাবেন। তাদের ক্ষেত্রে ২০০২ সালে করা ‘উপ-সচিব, যুগ্ম সচিব, অতিরিক্ত সচিব ও সচিব পদে পদোন্নতি/ নিয়োগের বিধিমালা’ প্রযোজ্য বা কার্যকর হবে না।

বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি রাজিক-আল-জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ রবিবার এ রায় দিয়েছেন। ২০০১ থেকে ২০০৩ সালের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে পদোন্নতি বঞ্চিত হওয়া এই ৩৯ কর্মকর্তার করা পৃথক তিনটি রিট আবেদনে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে এ রায় দেন আদালত। রিট আবেদনকারীপক্ষে আইনজীবী ছিলেন ব্যারিস্টার রেজা-ই-রাব্বী খন্দকার। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার।

রায়ের পর ব্যারিস্টার রেজা-ই-রাব্বী খন্দকার সাংবাদিকদের বলেন, রিট আবেদনকারীদের ২০০২ সালের বিধিমালা অনুযায়ী পদোন্নতি বঞ্চিত করে কনিষ্ঠদের পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। আজকের রায় অনুযায়ী, বঞ্চিতরা ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি পাবেন। তারা কনিষ্ঠদের পদোন্নতি পাওয়ার তারিখ থেকে তা কার্যকর হবে। পদোন্নতি বঞ্চিত না হলে এই ৩৯ জনের মধ্যে ৩৭ জন সচিব, একজন অতিরিক্ত সচিব ও একজন যুগ্ম সচিব হতেন।

তিনি বলেন, রিট আবেদনকারী এই ৩৯ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিয়োগ দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু। তাদের পদোন্নতি জন্য ১৯৯৮ সালে একটি নীতিমালা করে সরকার। এরপর ১৯৯৯ সালে সরকার জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে একটি পদোন্নতির তালিকাও করে। পরবর্তীতে তাদের কেউ কেউ পদোন্নতিও পান। ১৯৯৮ সালের নীতিমালার আলোকে পদোন্নতি পেয়ে তাদের কেউ কেউ যুগ্ম সচিব পর্যন্ত হয়েছেন। কিন্তু পদোন্নতির বিষয়ে ২০০২ সালে নতুন মানদণ্ড করে বিধিমালা করে সরকার। এতে ১২ উপ-সচিব এবং ২৭ জন যুগ্ম সচিবকে (তারা সবাই মুক্তিযোদ্ধা) পদোন্নতি বঞ্চিত হন। এরপর ২০০২ সালের ওই বিধিমালা চ্যালেঞ্জ করে ২০১৩ সালে রিট আবেদন করেন পদোন্নতি বঞ্চিত যুগ্ম সচিব মো. সাইফুজ্জামান, মো. আমিরুল ইসলাম ও উপ-সচিব মো. খলিলুর রহমান। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আদালত ২০১৩ সালের ১২ নভেম্বর রুল জারি করেন হাইকোর্ট। এই রুলের ওপর চ‚ড়ান্ত শুনানি শেষে রায় দিলেন হাইকোর্ট।

লাইটনিউজ

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD