রংপুরের পীরগঞ্জে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনার দীর্ঘ ৬ বছর আট মাস পর ডিএনএ টেস্টে রহস্য উদঘাটন করেছে সিআইডি পুলিশ। এ ঘটনার অন্যতম আসামি হাসানুর জামান শিপন ওরফে টেক্কাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রী গর্ভবতী হওয়ায় তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছিল তার প্রেমিক শিপন।
বুধবার (১৬ ডিসেম্বর) দুপুরে রংপুর নগরের কেরানিপাড়ায় সিআইডি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এতথ্য জানান সিআইডির পুলিশ সুপার মিলু মিয়া।
পুলিশ সুপার বলেন, ২০১৪ সালের ১০ এপ্রিল পীরগঞ্জ উপজেলার জয়পুর গ্রামের নবম শ্রেণি পড়ুয়া এক স্কুলছাত্রীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে একাধিকবার ধর্ষণ করে তার চাচাতো ভাই হাসানুর জামান শিপন ওরফে টেক্কা। এতে ওই ছাত্রী গর্ভবতী হয়ে পড়লে প্রেমের সম্পর্ক ধামাচাপা দিতে কৌশলে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে প্রেমিক শিপন।
এ ঘটনায় পীরগঞ্জ থানায় মামলা হলেও দীর্ঘ সাড়ে ছয় বছরের তদন্ত কোনো আলোর মুখ দেখেনি। বরং ৬ বার তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা বদল হয়। ঘটনার রহস্য উদঘাটন করতে না পারা ও সুরাহা না হওয়ায় অবশেষে মামলাটি তদন্তে সিআইডিকে দেওয়া হয়।
সিআইডি পুলিশ ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে ওই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করে জড়িত আসামির ব্যাপারে নিশ্চিত হন। এরপর আসামি হাসানুর জামান শিপন ওরফে টেক্কাকে গ্রেফতার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি শিপন ধর্ষণ এবং শ্বাসরোধ করে তার প্রেমিকাকে হত্যা করার বিষয়টি স্বীকার করেছে বলে জানান পুলিশ সুপার মিলু মিয়া।
লাইট নিউজ