নতুন করোনাভাইরাস উচ্চ তাপমাত্রায়ও দীর্ঘ সময় ধরে টিকে থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন ফ্রান্সের একদল বিজ্ঞানী। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে ৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াস (১৪০ ডিগ্রি ফারেনহাইট) তাপমাত্রায় এই ভাইরাসকে রেখেছিলেন তারা;
নতুন করোনাভাইরাস উচ্চ তাপমাত্রায়ও দীর্ঘ সময় ধরে টিকে থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন ফ্রান্সের একদল বিজ্ঞানী। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে ৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াস (১৪০ ডিগ্রি ফারেনহাইট) তাপমাত্রায় এই ভাইরাসকে রেখেছিলেন তারা;
বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস মহামারীতে যুক্তরাষ্ট্র বিপর্যয়কর পরিস্থিতিতে রয়েছে। এর মধ্যে নিউইয়র্ক যেন মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে। পার্শ্ববর্তী রাজ্য নিউজার্সির অবস্থাও শোচনীয়। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে ১৩ এপ্রিল রাত পর্যন্ত আরও ছয়
বাইশ হাজার পেরিয়ে কিছুটা গতি কমেছে আমেরিকার মৃত্যুমিছিলের। স্পেনও দাবি করেছে, দৈনিক মৃতের সংখ্যা এখন কিছুটা কম। একই কথা জানাচ্ছে ইতালি, ফ্রান্সও। যার জন্য ইউরোপের কম ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলো গৃহবন্দি থাকার
দুই জন চিকিৎসক ও একজন নার্স করোনা আক্রান্ত হয়েছেন এমন সন্দেহে মগবাজারের ইনসাফ বারাকা কিডনি অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতাল লকডাউন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন হাতিরঝিল থানার
আর একটি রাজ্যও বাকি থাকল না, যেখানকার মানুষ করোনায় মৃত্যু দেখেনি। যুক্তরাষ্ট্রে সংক্রমণ এমনভাবেই ছড়িয়ে পড়েছে যে, পুরো ৫০ রাজ্যেই মৃত্যু হয়েছে। গতকাল সোমবার সর্বশেষ রাজ্য হিসেবে ওয়াইয়োমিংয়েতে ১ জন
আন্তর্জাতিক ডেস্ক ; একদিকে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের কারণে ঘর থেকে বের হওয়া বন্ধ, তার ওপর কোটি কোটি পঙ্গপালের হানায় শেষ মাঠের ফসল। ফলে মারাত্মক খাদ্য সংকটে পড়েছে ইথিওপিয়া। জাতিসংঘ বলছে, পূর্ব
সিঙ্গাপুরে নতুন করে ৩৮৬ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০৯ জনই বাংলাদেশি। সোমবার ২০৯ জনসহ এখন পর্যন্ত সিঙ্গাপুরে মোট ৮৭৮ জন বাংলাদেশি এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।
লাইট নিউজ ডেস্ক : প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে বিপর্যস্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। করোনায় মৃত্যুতে সব দেশকে ছাড়িয়ে এখন শীর্ষে অবস্থান করছে। তবে দেশটির অন্যান্য সব শহরকে পেছনে ফেলে সর্বোচ্চসংখ্যক মানুষের মৃত্যু হয়েছে নিউইয়র্ক শহরে।
করোনাভাইরাসের তাণ্ডব ঠেকাতে বিশ্বজুড়ে চলমান লকডাউনের ফলে ভয়াবহ খাদ্য সংকট সৃষ্টি হতে পারে। পরিণামে দেখা দিতে পারে দুর্ভিক্ষ। এমনটাই হুশিয়ারি দিয়েছে জাতিসংঘ। সংস্থাটির কর্মকর্তারা বলছেন, খাবারের অভাব এখনই তৈরি হয়নি।