মুসলিমরা রমজান মাসে ২৯ কিংবা ৩০টি রোজা রাখেন। তবে, ২০৩০ সালে ৩৬টি রোজা রাখতে হবে মুসলিমদের। আর ২০৩৩ সালেও দুই বার রোজা পালন ও তিনটি ঈদ হতে পারে। দুবাই অ্যাস্ট্রোনমি
সুরা : বনি ইসরাঈল, আয়াত : ৫৫ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে وَ رَبُّكَ اَعۡلَمُ بِمَنۡ فِی السَّمٰوٰتِ وَ الۡاَرۡضِ ؕ وَ لَقَدۡ فَضَّلۡنَا بَعۡضَ
রমজান আমাদের আত্মশুদ্ধি, সংযম ও তাকওয়ার প্রশিক্ষণের মাস। রোজা শুধু ভোর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার বর্জন নয়, এটি মানুষকে ভেতর থেকে পরিবর্তনের এক মহড়া। রোজার মূল উদ্দেশ্য হলো তাকওয়া অর্জন
চলতি বছরের পবিত্র রমজান মাস ৩০ দিন পূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। সেই হিসেবে আগামী ২০ মার্চ (শুক্রবার) সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্যাপিত হতে পারে। শুক্রবার
আল্লাহতায়ালা তার বান্দাদের পরীক্ষা করার জন্য মাঝে মধ্যে তাদের বিভিন্ন বিপদ-আপদ কিংবা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সম্মুখীন করেন। এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বিপদ-আপদ পৃথিবীতে আল্লাহতায়ালার কুদরতের নিদর্শন। ভূমিকম্প তার এ নিদর্শনসমূহের অন্যতম।
রমজান একটি মহিমান্বিত মাস। মহান আল্লাহ তাআলা এই মাসে অগণিত নিয়ামত ও অনুগ্রহ দান করেছেন, যার ফলে মুসলমানদের হৃদয়ে রমজান এক বিশেষ মর্যাদা ও গভীর ভালোবাসার স্থান দখল করে আছে।
ইফতার করা রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নত। তিনি খেজুর, পানি ইত্যাদি হালাল খাবার খেয়ে ইফতার করতেন। ইফতার করা রোজাদারের জন্য আনন্দের বিষয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘রোজাদারের জন্য দুটি বিষয় আছে। যা তাকে
রহমত, বরকত ও মাগফিরাতের মাস পবিত্র রমজান। এ মাসে আল্লাহ তাআলা নেক আমলের সওয়াব বহুগুণ বাড়িয়ে দেন এবং বান্দার গুনাহ ক্ষমা করেন। তাই রোজাদার মুমিন মুসলমানের জন্য রমজান মাস ইবাদত-বন্দেগি
ইসলাম ইবাদত-বন্দেগিসহ সব বিধানেই অত্যন্ত সাদাসিধা ও সহজ নীতি রেখেছে। নামাজ-রোজা ও হজ-জাকাতের সময়, কিবলা নির্ণয়, চাঁদ দেখা ইত্যাদির বিধান মুশাহাদা তথা প্রত্যক্ষ দর্শনের ওপরই নির্ভরশীল রেখেছে। আর যখন বা
চলতি রমজানে ওমরাহ পালনকারীদের নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা ও নির্বিঘ্ন ইবাদত নিশ্চিত করতে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে সৌদি আরব। রমজানে মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদে মুসল্লির সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় ভিড় নিয়ন্ত্রণ, যাতায়াত ও স্বাস্থ্য