মহামারী করোনায় সবচেয়ে বেশি শনাক্ত হয়েছে ঢাকা বিভাগে; আর আক্রান্তের দিকে দিয়ে সবচেয়ে কম সিলেটে।ঢাকা বিভাগে আক্রান্তের সংখ্যা ৮৫ শতাংশের বেশি। অন্যদিকে সিলেট বিভাগে আক্রান্তের সংখ্যা শূন্য দশমিক ৫৯ শতাংশ।
সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের কারণেই আক্রান্তের ৪৪ দিন পার হলেও দেশে করোনা রোগীর সংখ্যা ইতালি, ফ্রান্স, আমেরিকার থেকে বহুগুণ কম রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী
সংক্রমণ শুরুর এক মাস পরে এসে বাংলাদেশে করোনাভাইরাস (কভিড-১৯) ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে। ইতোমধ্যে ছড়িয়েছে ২১ জেলায়। এর মধ্যে বেশি রোগী ঢাকা শহর এবং পার্শ্ববর্তী জেলা নারায়ণগঞ্জ।সংশ্লিষ্ট
তৃতীয় দফায় ভারত থেকে আরো ১৬৮ বাংলাদেশিকে ফিরিয়ে আনা হলো। আজ বুবধার ভারতের চেন্নাই থেকে ওই বাংলাদেশিদের নিয়ে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসে ইউএস-বাংলার একটি ফ্লাইট। এর মধ্যে
করোনা মোকাবিলায় এখন পর্যন্ত জার্মানি সফল। অনেক দেশই কারোনা মোকাবিলায় হিমশিম খাচ্ছে। সারা বিশ্বেই আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তা বিরাজমান। কোথাও কোথাও লকডাউন চলছে। এই পরিস্থিতিতে জার্মানি ছোট ছোট দোকানপাট খুলে দেওয়ার
ঠাকুরগাঁওয়ে গর্ভকালীন জটিলতার চিকিৎসা করাতে গিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শে করোনাভাইরাসের পরীক্ষা করাতে দেন এক অন্তঃসত্ত্বা। এরপর তিনি স্বামীকে নিয়ে চলে যান পঞ্চগড়ে তাঁর বাবার বাড়িতে। সেখানে এই বাড়ি ওই বাড়ি ঘুরে
সংক্রমণ শুরুর সপ্তম সপ্তাহে এসে করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত আর মৃতের সংখ্যা কেবল বাড়ছেই। করোনা উপসর্গ নিয়ে নমুনা পরীক্ষা যতই বাড়ছে, ততই বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। বেশিরভাগ দিনই আগের দিনের চেয়ে বেশি
মহামারি করোনা থেকে সুস্থ হয়ে ঘরে ফেরার সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে ইতালিতে। দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত ৫১ হাজার ৬০০ ব্যক্তি এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে নাগরিক
করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় দফা সুনামির ব্যাপারে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন বিজ্ঞানীরা। তারা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, করোনার দ্বিতীয় থাবা হবে আরও ভয়ঙ্কর। এতে লাখ লাখ মানুষ মারা যাবে। দ্বিতীয় ধাপে উপসর্গহীন আক্রান্তের
লাইট নিউজ প্রতিবেদক : গত ২৪ ঘণ্টা নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ৩০৯৬টি। এদের মধ্যে সনাক্ত হয়েছে সনাক্ত ৩৯০ জন। এ পর্যন্ত মোট আক্রান্ত ৩৭৭২। ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছে, ১০ জন।