সীমান্তবর্তী মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে মাতৃভূমিতে বসবাসরত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রতি দেশটির সেনাবাহিনীর ভাবভঙ্গির ওপর বাংলাদেশ সতর্ক দৃষ্টি রাখছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন। মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী জাতিগত সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের
বাংলাদেশ নিয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আলজাজিরার প্রতিবেদনে তথ্যগত ত্রুটি আছে মন্তব্য করে এর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন। বুধবার ঢাকায় গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে
অং সান সুচি ও অন্যান্য রাজনৈতিক নেতাদের প্রথম দিকে গ্রেফতার করার পরে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী নিশ্চিত করেছে যে তারা দেশটি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। এ প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন সোমবার
বাংলাদেশের চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রে ধর্ষণ ও বিচারবহির্ভূত হত্যার ঘটনা বেশি ঘটে বলে মনে করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রে এ ধরনের ঘটনা বেশি ঘটলেও, বাংলাদেশকেই নেতিবাচকভাবে
গণহত্যা ও নির্যাতনের মুখে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা নাগরিকদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসন শুরু করতে চায় মিয়ানমার। এজন্য ২০১৭ সালে বাংলাদেশের সঙ্গে স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুসরণ করতে চায় দেশটি। শুক্রবার পররাষ্ট্র
মুজিববর্ষ উপলক্ষে রাঙামাটিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড আয়োজিত বঙ্গবন্ধু অ্যাডভেঞ্চার উৎসবের উদ্বোধন করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন। এসময় তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে রোহিঙ্গা সংকট, রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তর প্রসঙ্গ এবং করোনা ভাইরাসের
রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে না নিলে অশান্তির আশঙ্কা আছে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। নানা চেষ্টার পর বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের সাড়ে তিন বছর পরও রোহিঙ্গাদের একজনকেও মিয়ানমারের রাখাইনে ফেরত পাঠানো
ঢাকায় নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি বলেছেন, আমরা আগামী বছর রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন চাই। এ সংকটের সমাধান হওয়া জরুরি। বৃহস্পতিবার (২৪ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। ডিপ্লোম্যাটিক
তুরস্ক তাদের প্রতিরক্ষাসামগ্রী বাংলাদেশে বিক্রি করতে চায় বলে জানিয়েছেন ঢাকায় সফররত দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কাভাসগ্লু। পাশাপাশি বৃহদায়তন প্রকল্পে বিনিয়োগেও আগ্রহ প্রকাশ করেছে দেশটি। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কাভাসগ্লু বুধবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, বাংলাদেশকে এক সময় দারিদ্র্য পীড়িত দেশ হিসেবে সবাই চিনতো। তবে এখন আর সেদিন নেই। আমরা বাংলাদেশকে ব্র্যান্ডিং করতে চাই। ব্র্যান্ডিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশে বিনিয়োগ