স্কুল-কলেজে আরও ছুটি বাড়ানোর চিন্তাভাবনা করছে সরকার। করোনাভাইরাস পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় বর্তমান ছুটি শেষে এটি আরও বাড়ানো হতে পারে। আগামী মঙ্গলবারের (২৫ আগস্টের) পর এ বিষয়ে ঘোষণা দেয়া হবে।
এইচএসসি, জেএসসি ও পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষার (পিইসি) বিষয়ে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় দ্রুত সিদ্ধান্ত নেবে। এমনটা জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। সোমবার (২৪ আগস্ট) সচিবালয়ে মন্ত্রিসভা
আগামী বছরের জন্য বিনামূল্যের প্রায় ৩৫ কোটি বই ছাপানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। তবে করোনা পরিস্থিতির কারণে মানসম্মত বই ছাপানো ও নির্ধারিত সময়ে শিক্ষার্থীদের হাতে
আগামী বছরের জন্য বিনামূল্যের প্রায় ৩৫ কোটি বই ছাপানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। তবে করোনা পরিস্থিতির কারণে মানসম্মত বই ছাপানো ও নির্ধারিত সময়ে শিক্ষার্থীদের হাতে
করোনা সংকটে থাকা প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের পাঠদানের চিত্র তুলে ধরে পরীক্ষা গ্রহণের বিকল্প কয়েকটি প্রস্তাবের সার-সংক্ষেপ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন। সার-সংক্ষেপে
শিক্ষার অন্য স্তরের মতো প্রাথমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধেরও পাঁচ মাস অতিক্রম হচ্ছে। কবে নাগাদ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে তা এখনো নিশ্চিত নয়। করোনা পরিস্থিতিও কিছুটা স্থিতিশীল। এ অবস্থায় যখনই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হোক
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, ধর্মনিরপেক্ষতা মানে ধর্মহীনতা নয়। ধর্ম নিরপেক্ষতা হলো বিভিন্ন ধর্মের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি। এজন্যই আজ আমরা বলতে পারি ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার। ধর্ম যার
উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) এবং জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি জানিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেছেন, যখনই সিদ্ধান্ত হবে তা সবাইকে জানিয়ে
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, ’৭৫ পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রীয়ভাবে বঙ্গবন্ধুর পরিবারের প্রত্যেকটি সদস্যের চরিত্র হরণ করা হয়েছিল। তার পরের প্রজন্ম যাতে স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে জানতে না পারে সেজন্য
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার লক্ষ্যে সব ধরনের সরকারি-বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কিন্ডারগার্টেন বন্ধ রাখা হয়েছে। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার ফলে সরকারি বিদ্যালয়গুলো অপরিষ্কার অপরিচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে। ফলে এসব বিদ্যালয়ে