রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামবে সৌদি আরব? সামরিক শক্তিতে কে এগিয়ে রাজধানীসহ সারা দেশে হঠাৎ সর্বোচ্চ সতর্কতা জা‌রি রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী নির্ধারণের দায়িত্ব তারেক রহমানকে দিলো বিএনপি এবার গ্রীসের রাজধানী এথেন্সেও ভয়াবহ দাবানল! ড. ইউনূস নির্বাচন চাননি, আদায় করে নেয়া হয়েছে: রাশেদ খাঁন জুলাই আন্দোলনে গণতন্ত্রকামী সবার অবদান রয়েছে : আতিকুর রহমান রুমন আগামী সপ্তাহে বাংলাদেশে আসবে যুক্তরাষ্ট্রের ২৫ শীর্ষ প্রতিষ্ঠানের ৪৫ ব্যবসায়ী: মাহদী আমিন ইরান যুদ্ধ থেকে প্রস্থানের পথ খুঁজছেন ট্রাম্প টানা পঞ্চমবার সাফের সভাপতি নির্বাচিত কাজী সালাহউদ্দিন হামের উপসর্গে আরো ৩ শিশুর মৃত্যু

ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’ চুক্তির বিষয়ে যে স্পষ্ট বার্তা দিল হামাস

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬

গাজা থেকে ইসরাইলি সেনা পুরোপুরি প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত কোনো ধরনের নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়ায় অংশ নেবে না বলে স্পষ্ট জানিয়েছে ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) হামাসের আলোচক দলের সদস্য গাজি হামাদ কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, হামাসের নিরস্ত্রীকরণের প্রশ্নটি ইসরাইলের গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলটির পুনর্গঠনের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত।

তিনি আরও বলেন, নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়ায় ইসরাইলের কোনো ভূমিকা থাকবে না। এ কাজ একটি ফিলিস্তিনি জাতীয় কমিটির তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন হবে।

গাজি হামাদ জোর দিয়ে বলেন, চুক্তি অনুযায়ী ইসরাইল আগে তার দায়িত্ব পালন না করলে হামাস কোনো নিরস্ত্রীকরণ পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করবে না।

চলমান আলোচনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আলোচনা অত্যন্ত কঠিন ও জটিল। তবে ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকার রক্ষা নিশ্চিত করে সর্বোত্তম ফল অর্জনের চেষ্টা করছে হামাস।

এ সময় সমঝোতা প্রক্রিয়ায় মধ্যস্থতার জন্য মিসর, কাতার ও তুরস্ককে ধন্যবাদ জানান তিনি।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দেন, গাজায় হামাস ও অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীর সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে একটি সমঝোতা হয়েছে। তিনি জানান, নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়া এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে ধাপে ধাপে গাজা থেকে ইসরাইলি বাহিনী প্রত্যাহার করা হবে।

ট্রাম্প আরও বলেন, মিসর, কাতার ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় এই ‘ঐতিহাসিক অগ্রগতি’ সম্ভব হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ধাপে ধাপে চুক্তি বাস্তবায়ন হবে এবং গাজায় নিরাপত্তার দায়িত্ব গ্রহণ করবে একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী ও নতুন ফিলিস্তিনি পুলিশ বাহিনী।

এদিকে গাজায় ইসরাইলের সামরিক অভিযানে এখন পর্যন্ত ৭৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত এবং এক লাখ ৭৪ হাজারের বেশি আহত হয়েছেন। নিহত ও আহতদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। যুদ্ধের ফলে গাজার প্রায় ৯০ শতাংশ অবকাঠামো ধ্বংস হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ২০ দফা গাজা পরিকল্পনার আওতায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর থেকে কার্যকর হওয়া ওই যুদ্ধবিরতির পরও ইসরাইল গাজাজুড়ে নিয়মিত হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। এতে আরও ১ হাজার ২১৪ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৩ হাজার ৯৭৭ জন আহত হয়েছেন। এসব হতাহতের বেশিরভাগই নারী ও শিশু।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD