মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ০৯:৪২ অপরাহ্ন

দুই টিকিটে এক সিট, টাকা যাচ্ছে প্রভাবশালীদের পকেটে!

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৯ জানুয়ারী, ২০২২

তেজগাঁও রেলস্টেশন থেকে ভৈরব যেতে জনপ্রতি টিকিট নিতে হয় দু’টি। ৭০ টাকার টিকিট কিনতে হয় ১০০ টাকায়। দুই টিকেট না কিনলে মেলে না সিট। স্টেশনে যাত্রীদের জন্যে নেই টয়লেট ও ছাউনি। স্টেশনে রেলের জায়গায় বসানো দোকান থেকে ফায়দা নিচ্ছেন স্টেশন ম্যানেজারসহ রেলের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

তথ্যমতে, দুর্বল অবকাঠামো, দূষিত পরিবেশ আর নিরাপত্তাহীনতার কারণে প্রায়ই সমালোচিত তেজগাঁও রেলওয়ে স্টেশন। জয়দেবপুর, চট্টগ্রাম, ভৈরব, কুমিল্লা, নোয়াখালী, সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গন্তব্যের ট্রেন এই স্টেশনে থামে। এই স্টেশন থেকেই অধিকাংশ যাত্রী কমলাপুর ও বিমানবন্দর স্টেশনেও যাতায়াত করেন। কিন্তু স্টেশনে নেই টয়লেট, যাত্রীদের নেই বসার স্থান। এছাড়াও টিকিট নিয়েও আছে নানান বিড়ম্বনা।

যাত্রীরা বলছেন, বাধ্য হয়ে দুটি টিকিট কিনতে হচ্ছে। যেখানে এক টিকিটের দাম ৭০ টাকা সেখানে দুই টিকিট কেনায় দিতে হচ্ছে ১৪০ টাকা। শুধু তাই নয়, অনেকেই আবার ৭০ টাকার টিকিট বাধ্য হয়ে ১০০ থেকে ১৫০ টাকায় কিনছেন।

মেসার্স টি এম ট্রেডিংয়ের টিকিট বিক্রেতা এ কথা অস্বীকার করে বলেন, কারও কাছ থেকেই বাড়তি টাকা রাখেন না তারা। তবে বাস্তবতা পুরোটাই ভিন্ন।

শুধু টিকিট বিক্রির টাকাই না, মিলেমিশে খাচ্ছেন সরকারি জায়গায় দোকান বসানোর টাকাও। ইজারার নামে সরকারি কোষাগারে মাসে ৫০০ টাকা জমা হলেও ভাড়া তুলছেন ৫ থেকে ছয় হাজার টাকা। কারও কারও কাছ থেকে নিয়েছেন অগ্রিম টাকাও।

দায়িত্বে থাকা স্টেশন মাস্টার সব অভিযোগই অস্বীকার করে বলেন, অতিরিক্ত টাকাসহ যেসব অভিযোগ উঠেছে, সেগুলো যদি সত্যি হয় তাহলে অবশ্যই বড় অন্যায়। সবকিছু সুন্দরভাবে পরিচালনা করতে আমাদের কর্মকর্তারা ব্যাপক কাজ করছেন।

আইনের কঠোর প্রয়োগের মাধ্যমে রেলের এসব অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি, তেজগাঁও রেল স্টেশনের নানান ভোগান্তি দূর করার কথা বলেন যাত্রীরা।

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD