ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা শক্তিশালী দুটি ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে সেখানকার বাড়িঘর। ধ্বংস্তুপের নিচে চাপা পড়ে আছে মৃতদেহ। এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫৮৯ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন প্রায় তিন হাজার মানুষ। দেশটির ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ সর্বশেষ এ তথ্য জানিয়েছেন।
শুক্রবার (২৬ জুন) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।
এর আগে সরকারি হিসাবে নিহতের সংখ্যা ২৩৫ এবং আহতের সংখ্যা ৪ হাজার ৩০০ বলে জানানো হয়েছিল। তবে সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্যে মৃতের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
স্থানীয় সময় বুধবার (২৪ জুন) সন্ধ্যায় পরপর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর ভবন ধসে পড়ার আশঙ্কায় এখনো অনেক বাসিন্দা নিজ নিজ বাড়িতে ফিরতে সাহস পাচ্ছেন না। নিরাপত্তার শঙ্কায় তারা পার্ক, খোলা মাঠ ও উন্মুক্ত স্থানে রাত কাটাচ্ছেন।
কারাকাস থেকে আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে স্বাধীন সাংবাদিক মারিয়া এমিলিয়া মিরো কেসাদা বলেন, ভবনগুলোর কাঠামোগত নিরাপত্তা নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণে মানুষ ঘরে ফিরতে ভয় পাচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, ভেনেজুয়েলার নাজুক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মানুষের উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে তুলেছে। তবে এই মুহূর্তে সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো উদ্ধারকাজে প্রয়োজনীয় জনবল, যন্ত্রপাতি ও অন্যান্য সম্পদ দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পৌঁছে দেওয়া। ধসে পড়া ভবনের নিচে আটকে পড়াদের উদ্ধার এবং আহতদের দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে কার্যকর উদ্ধার তৎপরতা চালানো অত্যন্ত প্রয়োজন।
মিরো কেসাদার ভাষায়, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো দ্রুত ও বৃহৎ পরিসরে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে পৌঁছে আটকে পড়া ও আহত মানুষদের সময়মতো সহায়তা দেওয়া।