করোনাকালে সাধারণ ফ্লুর পরিমাণ কিছুটা হলেও কমেছে। সেন্টার কন্ট্রোল ও প্রিভেনশনের দেওয়া তথ্য মতে, ২০২০-২০২১ সালে ফ্লুর পরিমাণ স্বাভাবিকভাবে অনেক কমেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, মাস্ক পরা, লকডাউনের ফ্লু কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।
সাধারণ কিছু ফ্লুতে মানুষ কমবেশি এখনো ভুগছে। হালকা জ্বর, কফ, গলা ব্যথা, নাকে পানি আসা, শরীরে ব্যথা ও পেটে ব্যথার মতো সমস্যায় ভুগছে মানুষ। তবে বাড়িতে কিছু বিষয় মেনে চললে এই ঠাণ্ডার সমস্যা থেকে সহজে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
গরম পানি ও তরলজাতীয় খাবার খাওয়া :
গরম পানি ঠাণ্ডার অন্যতম ওষুধ। বিশেষ করে নাক বন্ধ হয়ে থাকলে নাক খুলতে দারুণ কাজ করে গরম পানি। গরম পানি, আদা দিয়ে পানি, গ্রি টি শরীর হাইড্রেট রাখার পাশাপাশি নাক খোলা রাখতে সাহায্য করে। আবার যে মিউকাসের কারণে নাকে ও গলায় সংক্রমণ হয়, সেই মিউকাসকে পাতলা করতে সাহায্য করে।
গরম পানির ভাপ :
নাক বন্ধ হলে সব সময় খুব অস্বস্তি লাগে। সাইনাসের প্রদাহের কারণে এটি ঘটে। এ জন্য গরম পানির ভাপ নেওয়া উপযুক্ত একটি সমাধান হতে পারে। পানির উঞ্চতা শ্লেষ্মাকে পাতলা করতে পারে। এর ফলে সহজে নাক পরিষ্কার হয়ে যায়।
যেভাবে করবেন : স্টিম নেওয়ার জন্য প্রথমে একটি বাটিতে গরম পানি নিতে হবে। মুখ বাটির কাছে নিয়ে পাঁচ থেকে দশ মিনিট নিঃশ্বাস নিতে হবে। তবে এমন দূরত্বে আপনার মুখ রাখুন, যাতে করে পুড়ে না যায়।
ন্যাজাল স্প্রে :
ঠাণ্ডায় নাক বন্ধ হয়ে গেলে তা পরিষ্কারের অন্যতম উপায় হলো ন্যাজাল স্প্রে। আপনি চাইলে বাজার থেকে কিনেও এই স্প্রে ব্যবহার করতে পারেন, আবার বাড়িতেও তৈরি করতে পারেন। লবণ পানি নাক খোলা রাখতে সাহায্য করবে। তবে ভালো ফলাফল পেতে অবশ্যই কিছুক্ষণ পরপর ব্যবহার করতে হবে।
ঝালজাতীয় খাবার :
আপনি যদি আপনার বন্ধ নাকের চিকিৎসা করাতে চান, তাহলে ঝালজাতীয় খাবার খেতে পারেন। কাঁচা মরিচে ক্যাপসাইসিন নামক উপাদান থাকে, যার তাপ উৎপাদনের ক্ষমতা রয়েছে। এতে করে প্রদাহও কমে।
উষ্ণ প্রবাহ :
আপনার যদি ঠাণ্ডা লেগে নাক বন্ধ থাকে, তবে নাকের ওপর গরম কিছু রাখুন। সে ক্ষেত্রে একটি তোয়ালে গরম পানিতে ভেজাতে পারেন। তারপর পানি ঝরিয়ে তোয়ালেটি নাকের ওপর দিয়ে রাখুন। উষ্ণতা বন্ধ নাকের দ্রুত চিকিৎসা করবে।