রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
হাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু ডেঙ্গু প্রতিরোধে দেশজুড়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ সীমান্তে ৮০৬ কিলোমিটার কাঁটাতারের বেড়া, বাকি ৫০ কিলোমিটার বিদেশ ভ্রমণে বছরে সর্বোচ্চ ব্যয় করা যাবে ১৮ হাজার ডলার ইরানের তেল রপ্তানিতে বাধা দিতে জাহাজে হামলা শুরু যুক্তরাষ্ট্রের লংমার্চ রাজপথের ষড়যন্ত্র, গণতন্ত্র বিনষ্টের চেষ্টা: রিজভী রোহিঙ্গা সংকট আঞ্চলিক নিরাপত্তার হুমকি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘৪৩৪১ হাজিকে ৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা ফেরত দেবে সরকার’ মাজারের খাদেম হত্যা: জেএমবির দুই সদস্যের মৃত্যুদণ্ড বহাল এনবিআরের আন্দোলন ইস্যুতে ২৪ কর্মকর্তার দণ্ড মওকুফ

বাংলাদেশ সীমান্তে ৮০৬ কিলোমিটার কাঁটাতারের বেড়া, বাকি ৫০ কিলোমিটার

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণে বড় অগ্রগতি করেছে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য। রাজ্যটির সঙ্গে বাংলাদেশের প্রায় ৮৫৬ কিলোমিটার সীমান্তের মধ্যে ৮০৫ দশমিক ৯৯ কিলোমিটার এলাকায় বেড়া নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে। অর্থাৎ সীমান্তের প্রায় ৯৪ শতাংশ এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া রয়েছে। এখনও প্রায় ৫০ কিলোমিটার সীমান্ত বেড়াবিহীন।

সম্প্রতি ত্রিপুরা বিধানসভায় দেওয়া এক লিখিত জবাবে এ তথ্য জানিয়েছে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তর। ক্ষমতাসীন বিজেপির মিত্র দল তিপ্রা মথার বিধায়ক রঞ্জিত দেববর্মার প্রশ্নের জবাবে সীমান্তে বেড়া নির্মাণের সর্বশেষ পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়।

রঞ্জিত দেববর্মা জানতে চেয়েছিলেন, সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের কাজ কতটা এগিয়েছে, কোন কোন এলাকায় এখনও কাজ বাকি এবং দ্রুত কাজ শেষ করতে সরকার কী পদক্ষেপ নিচ্ছে।

জবাবে স্বরাষ্ট্র দপ্তর জানায়, দক্ষিণ ত্রিপুরার বিলোনিয়া, ধলাই জেলার লংথরাই ভ্যালি, কমলপুর, আমবাসা ও গন্ডাছড়া, উত্তর ত্রিপুরার কাঞ্চনপুর এবং সিপাহিজলা জেলার খোয়াই ও সোনামুড়াসহ কয়েকটি এলাকায় এখনও বেড়া নির্মাণের কাজ অসম্পূর্ণ রয়েছে।

বাকি অংশের কাজ দ্রুত শেষ করতে কেন্দ্রীয় সরকারের হস্তক্ষেপ চেয়েছে ত্রিপুরা সরকার। এ বিষয়ে রাজ্য সরকার একাধিকবার কেন্দ্রের কাছে বিষয়টি তুলেছে বলেও স্বরাষ্ট্র দপ্তরের জবাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে সীমান্তের অবশিষ্ট অংশে বেড়া নির্মাণের কাজ সহজ হচ্ছে না। রাজ্য সরকারের বক্তব্য অনুযায়ী, ভৌগোলিক অবস্থান ও বাস্তবায়নসংক্রান্ত নানা জটিলতার কারণে এসব এলাকায় কাজ আটকে আছে। কোথাও খাড়া ও দুর্গম ভূখণ্ড, আবার কোথাও নদী ও খাল নির্মাণের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এর পাশাপাশি সীমান্তের ওপার থেকে আপত্তি এবং নির্মাণকারী সংস্থার কাজে বিলম্বও প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রভাব ফেলছে।

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ত্রিপুরার সীমান্তের দৈর্ঘ্য প্রায় ৮৫৬ কিলোমিটার। রাজ্যের তিন দিকই বাংলাদেশের সীমান্তঘেঁষা হওয়ায় সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় ত্রিপুরার গুরুত্ব দীর্ঘদিনের।

সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের অন্যতম উদ্দেশ্য অবৈধ পারাপার ও চোরাচালান ঠেকানো এবং সীমান্ত ব্যবস্থাপনা আরও শক্তিশালী করা। তবে নদী, খাল ও দুর্গম ভূখণ্ড রয়েছে—এমন এলাকায় প্রচলিত পদ্ধতিতে বেড়া নির্মাণ কতটা কার্যকর হবে, সেটিও বড় প্রশ্ন হয়ে রয়েছে।

ফলে ত্রিপুরার প্রায় ৯৪ শতাংশ সীমান্তে বেড়া নির্মাণ শেষ হলেও অবশিষ্ট প্রায় ৫০ কিলোমিটার এলাকাই এখন রাজ্যটির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD