শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন

বিশ্বের শতাধিক দেশে এফবিআই’র ফাঁদে আটকা ৮০০ অপরাধী

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৯ জুন, ২০২১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বিশ্বের শতাধিক দেশে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (এফবিআই) ফাঁদে পা দিয়ে আটকে হয়েছে ৮০০ জন অপরাধী। এ অপারেশনে এফবিআইয়ের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপোলসহ বিভিন্ন দেশের পুলিশ যুক্ত ছিল।

মঙ্গলবার (০৮ জুন) এএফপি’র এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিশাল ছদ্মবেশী কৌশল বা স্টিং অপারেশন চালাতে অপরাধীদের ব্যবহৃত ডিভাইসে বিশেষ নজরদারির কৌশল নেওয়া হয়। স্টিং অপারেশনে পুলিশের কর্মকর্তারা বিশ্বের প্রায় ১০০টি দেশের আন্ডারওয়ার্ল্ড মাফিয়াদের বার্তা পড়তে পারতেন।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এফবিআই চালিত অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করায় অপরাধী চক্রের অজান্তেই রিয়েল টাইমে নজরদারির সুযোগ পেয়ে যান পুলিশ কর্মকর্তারা।

এফবিআইয়ের সঙ্গে এ অপারেশনে যুক্ত ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার গোয়েন্দারা। তারা তিন বছর ধরে অপারেশনটি চালু রেখেছিলেন। গোপনে ‘এএনওএম’ নামের একটি ডিভাইস অপরাধীদের মধ্যে বিতরণ করেছে। ডিভাইসে থাকা অ্যাপের মাধ্যমে গোপনে মাদক বিক্রি, অস্ত্র চোরাচালানের মতো কর্মকাণ্ডের তথ্য তাদের কাছে পৌঁছেছে।

এএফপি জানায়, এফবিআই এ অপারেশনের নাম দিয়েছিল ‘অপারেশন ট্রোজান শিল্ড’। এফবিআই, ইউরোপীয় ইউনিয়নের পুলিশ সংস্থা ইউরোপোল ও অন্যান্য দেশের পুলিশ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, অপারেশন থেকে প্রাপ্ত প্রমাণের ফলে অন্তত ১০০টি হত্যাকাণ্ড রোধ করা গেছে। এ ছাড়া বেশ কয়েকটি বড় আকারের মাদক চোরাচালান ঠেকানো সম্ভব হয়েছে।

ইউরোপোল জানায়, ১৬টি দেশের পুলিশ ফোন থেকে পাওয়া তথ্য–প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়েছে। বিশ্বে ১২ হাজার ডিভাইস বিতরণ করা হয়েছে।

ইউরোপোলের অপারেশন বিভাগের উপপরিচালক জন-ফিলিপ লেকুফি বলেন, অপারেশনে প্রাপ্ত তথ্য থেকে শত শত অপারেশন চালানো হয়। নিউজিল্যান্ড থেকে অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপ থেকে যুক্তরাষ্ট্র—সবখানেই এ অভিযান চালিয়ে দারুণ ফল পাওয়া গেছে। এ অভিযানে ৮০০ জনের বেশি ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার, ৭০০–এর বেশি জায়গায় অনুসন্ধান এবং ৮ টনের বেশি কোকেন উদ্ধার করা হয়েছে।

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD