রাজধানীর শাহবাগ থানাধীন হাইকোর্ট এলাকায় ব্যবসায়ী হামিদুল ইসলামকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
সোমবার ঢাকার উত্তর মুগদা ও কামরাঙ্গীরচর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মো. সোহেল, জাহিদ হোসেন, শুকুর আলী, মো. শাকিল ও সোহেল মিয়া। তারা একটি ছিনতাই চক্রের সদস্য বলে জানিয়েছে ডিবি।
মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার হাফিজ আক্তার জানান, তাদের রমনা বিভাগের একটি দল অভিযান চালিয়ে ওই পাঁচজনকে গ্রেফতার করে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা হামিদুলকে ছুরি মারার কথা ‘স্বীকার করেছে’ বলে জানান তিনি।
তাদের কাছ থেকে ‘হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত’ একটি চাকু, নিহতের মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ উদ্ধারের পাশাপাশি একটি মোটরচালিত রিকশা জব্দ করার কথা জানিয়েছে পুলিশ।
গত শনিবার রাতে কদম ফোয়ারার সামনে ছুরিকাঘাতে নিহত হন ৫৫ বছর বয়সী হামিদুল ইসলাম। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কেবল টিভির সংযোগ দেওয়ার ব্যবসা করে আসছিলেন। পরিবার নিয়ে তিনি থাকতেন তোপখানা রোডের ‘বসতি ময়ূরীতে’।
পুরান ঢাকার সিদ্দিক বাজারে তিনটি ফ্ল্যাট আছে হামিদুলের। শনিবার রাতে হাইকোর্ট মাজারের গেটে ওই ফ্ল্যাটগুলোর কেয়ারটেকার সেলিমের কাছ থেকে ভাড়ার টাকা নিয়ে বাসায় ফেরার পথে তিনি ছিনতাইকারীর কবলে পড়েন।
এ ঘটনায় তার ছেলে নাহিদুল ইসলাম পরদিন শাহবাগ থানায় একটি মামলা করেন।
অতিরিক্ত কমিশনার হাফিজ বলেন, গ্রেফতার পাঁচজনের মধ্যে মো. শাকিল মোটরচালিত রিকশা নিয়ে হাইকোর্টের মাজার গেটের বিপরীত পাশে অবস্থান করছিল। রাত সাড়ে ৮টার দিকে বাকি চারজন ঈদগাহ মাঠের সামনের ফুটপাতে হামিদুলের গতিরোধ করে এবং তার কাছ থেকে মোবাইল ও মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। তারা হামিদুলের পকেটে থাকা টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে তিনি চিৎকার দেন। তখন মো. সোহেল তাকে ছুরি মারে বলে তারা স্বীকার করে।
লাইটনিউজ