বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ১১:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মমতা হারেননি, তাকে হারানো হয়েছে: অখিলেশ পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে জয়ী ৪২ মুসলিম প্রার্থী, একজনও নেই বিজেপির তুরস্কের আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে যা জানা গেলো ইরান যুদ্ধের প্রভাবে ইউরোপে গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ে শঙ্কা কালকের মধ্যে প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের আশা থালাপতি বিজয়ের দলের তরমুজে ইঁদুর মারার বিষেই মৃত্যু একই পরিবারের সেই ৪ জনের সৌদির পাশাপাশি কুয়েতও যুক্তরাষ্ট্রকে দেয়নি ঘাঁটি-আকাশপথ ব্যবহারের অনুমতি ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা, মমতা অধ্যায়ের অবসান পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের মন্তব্যের জবাবে যা বলল ভারত থালাপতি বিজয় সরকার গঠন করতে না পারলে কী হবে?

মালয়েশিয়ায় রেকর্ড ১৫০টি বিমান বিক্রির চুক্তি স্বাক্ষর করল এয়ারবাস

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬
মালয়েশিয়ায় রেকর্ড ১৫০টি বিমান বিক্রির চুক্তি স্বাক্ষর করল এয়ারবাস

ইউরোপভিত্তিক উড়োজাহাজ প্রস্তুতকারী কোম্পানি এয়ারবাস মালয়েশীয় বিমান পরিষেবা সংস্থা এয়ার এশিয়ার সঙ্গে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তির শর্ত অনুসারে, এয়ার এশিয়াকে নিজেদের সর্বশেষ প্রজন্ম এ২২০-৩০০ সিরিজের ১৫০ বিমান সরবরাহ করবে এয়ারবাস।

১৯৭০ সাল থেকে যাত্রা শুরু করা এয়ারবাস কোম্পানির ইতিহাসে এই চুক্তিটি একটি রেকর্ড। কারণ এই প্রথম কোনো একক কোম্পানির কাছে এতগুলো উড়োজাহাজ সরবরাহের অর্ডার পেয়েছে এয়ারবাস। এই উড়োজাহাজগুলোর সম্মিলত মূল্য ধরা হয়েছে ১ হাজার ৯০০ কোটি ডলার।

গতকাল ৬ মে কানাডার কুইবেক প্রদেশের মিরাবেল শহরে এয়ারবাসের আঞ্চলিক দপ্তরে এয়ার এশিয়ার উপদেষ্টা টনি ফার্নান্দেজ এবং এয়ার এশিয়ার প্রধান নির্বাহী লার্স ওয়াগনারের মধ্যে এ বিষয়ক একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক ক্র্যানি এবং কুইবেকের মুখ্যমন্ত্রী ক্রিস্টিন ফ্রেশেটও উপস্থিত ছিলেন চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে।

এয়ারবাসের এ২২০-৩০০ সিরিজের বড় বিমানগুলোতে ১৬০টি যাত্রী আসন থাকে; তবে এয়ার এশিয়ায় যে ১৫০টি বিমান সরবরাহ করবে এয়ারবাস— সেগুলোর প্রতিটিতে অতিরিক্ত আরও ১০টি আসন থাকবে। এছাড়া প্রতিটি বিমানের দু’পাশে বাড়তি ওভারউইং এক্সিটও থাকবে।

চুক্তিস্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এয়ার এশিয়ার উপদেষ্টা টনি ফার্নান্দেজ বলেন, এ২২০-৩০০ সিরিজের যে ১৫০টি বিমানের অর্ডার দেওয়া হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে ছোটো-বড় দুই ধরনের বিমান রয়েছে। ছোটো বিমানগুলো দক্ষিণপূর্ব এশিয়া ও মধ্য এশিয়ার দেশগুলোতে চলাচল করবে; আর বড় বিমানগুলো ব্যবহার করা হবে দূরপাল্লার রুটে।

সাক্ষাৎাকার অনুষ্ঠানে টনি ফার্নান্দেজ বলেন, “এয়ার এশিয়াকে সঠিক সময়ে সাহসী সিদ্ধান্ত নিতে পারে। আমরা এই কোম্পানিকে এভাবেই তৈরি করেছি। আজ আমরা যে চুক্তি স্বাক্ষর করলাম, তা আমাদের দীর্ঘদিনের অধ্যাবসায় এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষার ফসল। আমরা এয়ার এশিয়াকে বিশ্বের সবচেয়ে সাশ্রয়ী, এবং সর্বোৎকৃষ্ট পরিষেবা প্রদানকারী কোম্পানি হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।”

এয়ারবাস কোম্পানির শীর্ষ নির্বাহী লার্স ওয়াগনার বলেন, “এয়ার এশিয়ার সঙ্গে আজকের চুক্তির মাধ্যমে এয়ারবাস এক নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করল।”

সূত্র : এএফপি

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD