দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে মুখপাত্রের দেওয়া বক্তব্য থেকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই বার্তাটি স্পষ্ট হয়েছে।
তেহরান মূলত দুইমুখী বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করছে। একদিকে তারা জানাচ্ছে, ভবিষ্যতে যেকোনো ধরনের সংঘাতময় পরিস্থিতির জন্য দেশটি পুরোপুরি প্রস্তুত।
একই সুর ফুটে উঠেছে ইরানের সেনাবাহিনী প্রধানের বক্তব্যেও। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের আক্রমণ করা হলে এবার ইরানের পাল্টা জবাব হবে আগের চেয়েও বিধ্বংসী।
অন্যদিকে, কূটনীতির দরজাও একেবারে বন্ধ করে দেয়নি ইরান। তারা বলছে, আলোচনার পথ সম্পূর্ণ খোলা বা পুরোপুরি বন্ধ—কোনোটাই নয়, বরং তা কিছুটা উন্মুক্ত রয়েছে।
ইরান সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আনুষ্ঠানিক বৈঠকের অনুরোধ জানায়নি। তবে কাতার, পাকিস্তান এবং অঞ্চলের অন্যান্য দেশের মধ্যস্থতায় পরোক্ষ যোগাযোগ এখনো অব্যাহত রয়েছে।
আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নের বিষয়ে তীব্র অবিশ্বাসের মেঘ বজায় রেখেই হিসাব-নিকাশ করে একটি সতর্ক ও বাস্তবসম্মত অবস্থান নেওয়ার চেষ্টা করছে ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব।