শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪১ অপরাহ্ন

সাতক্ষীরায় জলদস্যুতার অভিযোগে গ্রেফতার ৪

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২০

সাতক্ষীরায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে জলদস্যুতায় জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (০৯ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১ টায় সাতক্ষীরা পুলিশ লাইন্স ড্রিলসেডে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদেরকে এ তথ্য জানিয়েছেন জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান। গ্রেফতার হওয়া বিরুদ্ধে সুন্দরবনের দস্যুতা, অপহরণ, মুক্তিপণ, চাঁদা আদায়সহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- সাতক্ষীরা শহরের মুনজিতপুর এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে মামুনুর রহমান ওরফে খোকা বাবু, দেবহাটা উপজেলার খেজুরবাড়িয়া গ্রামের মহিউদ্দীন গাজীর ছেলে আলাউদ্দীন গাজী, সাতক্ষীরা শহরের সুলতানপুর এলাকার আব্দুল হাকিম গাজীর ছেলে তৈয়েবুর রহমান কামরান ও একই এলাকার মৃত শওকত আলীর ছেলে রহমান এন্টার প্রাইজের মালিক সাইদুর রহমান সাইদ।

সংবাদ সম্মেলেন তিনি বলেন, সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের কালিন্দী নদীতে মাছ ধরার সময় গত ২০ জুন শ্যামনগর উপজেলার টেংরাখালী গ্রামের এশার আলী গাজী ও পার্শ্ববর্তী গ্রামের আজিবর রহমানসহ ৮-৯ জন জেলেকে মুক্তিপণের দাবিতে অপহরণ করে কতিপয় জলদস্যু। এরপর তাদেরকে সীমান্তবর্তী দেশ ভারতে নিয়ে যায় তারা। জলদস্যুরা পরে বিকাশের মাধ্যমে মুক্তিপণ নিয়ে উক্ত জেলেদেরকে ছেড়ে দেয়।

পুলিশের কাছে অভিযোগ আসার পর সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মীর্জা সালাহ উদ্দীনের নেতৃত্বে পুলিশের একাধিক টিম উক্ত জলদস্যুদের গ্রেফতারে অভিযানে নামে। এ সময় জলদস্যুতায় জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় পলাতক রয়েছে বাংলাদেশি নাগরিক প্রদিপ, পাটকেলঘাটা থানার কুমিরা এলাকার মিঠুনদাস এবং ভারতের বসিরহাট ত্রিমোহিনী এলাকার আক্তার আলম গাজী, পান্না, বাপ্পী ও ঘোজাডাঙ্গা এলাকার হাসান এন্টার প্রাইজের মালিক নুনু।

তিনি আরো বলেন, গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা জলদস্যুদের সঙ্গে সংঘবদ্ধ হয়ে দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবন থেকে জেলেদের অপহরণ করে জোরপূর্বক আটকে রেখে মুক্তিপণ আদায়, মারধরসহ নানাভাবে তাদেরকে নির্যাতন চালায়। অবৈধভাবে অর্জিত তাদের এই অর্থ ভারতে পাচারেরও অভিযোগ রয়েছে। গ্রেফতার চারজনসহ উক্ত ১০ জনের নামে জেলা গোয়েন্দা শাখার এসআই ফরিদ হোসেন বাদী হয়ে শ্যামনগর থানায় একটি মামলা করেছেন।

গ্রেফতার আসামির মধ্যে সাইদুর রহমান সাইদ, অপহৃত এশার আলী ও এ মামলার স্বাক্ষী সৈয়দ হারিজ হোসেন তুহিন ইতিমধ্যে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দিয়েছেন। দ্রুত সময়ের মধ্যে সকল আসামিদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে জানান তিনি।

লাইট নিউজ

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD