রাজশাহীতে চামড়ার স্যান্ডেলের মধ্যে ১৪০০ গ্রাম সোনা বহন করার সময় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) কাছে একটি সোনার চালান ধরা পড়েছে। এ ঘটনায় তিন জনকে আটক করেছে বিজিবি।
আটক সোনার ১২টি বারের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৮২ লাখ টাকা।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাতে বিজিবির রাজশাহীর ১ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল ফেরদৌস জিয়াউদ্দিন মাহমুদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জগামী একটি বাস থেকে এক যাত্রীর পায়ের চামড়ার স্যান্ডেলের ভেতর ছিল সোনাগুলো। এগুলোর ওজন এক কেজি ৩৯৯ গ্রামের একটু বেশি।
লে. কর্নেল ফেরদৌস জিয়াউদ্দিন মাহমুদ জানান, বিজিবির রাজশাহীর ১ ব্যাটালিয়নের একটি দল বুধবার বিকাল ৫টার দিকে রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বেলপুকুর এলাকায় ঢাকা থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জগামী একটি যাত্রীবাহী বাসে অভিযান চালিয়ে সোনাগুলো উদ্ধার করে। এ সময় এক জনকে আটক করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরও দুই জনকে আটক করা হয়।
আটক তিন জন হলেন- ঢাকার ধামরাই থানার চৌহাট এলাকার মৃত লালন মিয়ার ছেলে মো. আলাল (৪৫), চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার নয়নচুকা কামারপাড়া গ্রামের বাদল কর্মকারের ছেলে শুভ্র কর্মকার (২৭) এবং বারঘরিয়া হালদারপাড়া গ্রামের দিনেশ হালদারের ছেলে মিলন হালদার (২৮)।
লে. কর্নেল ফেরদৌস জিয়াউদ্দিন মাহমুদ বলেন, ‘‘ঢাকার ধামরাই এলাকার আলাল সোনার বারের চালানটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ নিয়ে যাচ্ছিলেন। তাকে আটকের পর চোরাচালান সিন্ডিকেটের অন্য দুই সদস্যের খোঁজ পাওয়া যায়। এরপর অভিযান চালিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ওই দুই জনকেও আটক করা হয়।
‘আটক তিনজন উদ্ধার করা সোনার বারের বৈধ কোন কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। তাই সরকারি শুল্ক ফাঁকি দিয়ে সোনা চোরাচালানের অভিযোগে তাদের আটক করা হয়েছে।”
সোনাগুলো জেলা প্রশাসকের ট্রেজারি শাখায় জমা দেওয়া হবে। আর আটক তিন জনকে বেলপুকুর থানায় হস্তান্তর করে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে বলে জানান লে. কর্নেল ফেরদৌস জিয়াউদ্দিন মাহমুদ।
বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি রাজশাহী শাখা বিজিবিকে জানিয়েছে, প্রতিটি সোনার বার ২৪ ক্যারেটের। এগুলোর মূল্য প্রায় ৮১ লাখ ৬০ হাজার টাকা।
লাইটনিউজ