সারাদেশে জেঁকে বসেছে শীত। এর মধ্যে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ ও কনকনে ঠান্ডা বাতাস আর ঘন কুয়াশায় থমকে গেছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। পৌষের শেষ দিনে সকাল গড়িয়ে দুপুর হলেও দেখা নেই সূর্যের। শীতে জবুথবু রাজধানীবাসীও, যদিও ঢাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি।
শনিবার (১৩ জানুয়ারি) দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা দিনাজপুরে ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছিল। রোববার (১৪ জানুয়ারি) তা আরও কমে সকাল ৯টায় ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এ নিয়ে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো দিনাজপুরে কম তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে।
তবে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার ব্যবধান কমে যাওয়া ও উত্তরের হিমেল হাওয়ার কারণে শীতের তীব্রতা বেড়েছে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।
রোববার (১৪ জানুয়ারি) জানতে চাইলে আবহাওয়াবিদ বজলুর রশিদ বলেন, কুয়াশা আরও দুদিন অব্যাহত থাকতে পারে। সোমবার (১৫ জানুয়ারি) তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। তবে এর পর থেকে তাপমাত্রা একটু করে বাড়তে শুরু করবে। এরপর রাতের তাপমাত্রা কিছুটা বেড়ে শীতের তীব্রতা কমতে পারে।
এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টা অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং এটি কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।
কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগে সাময়িকভাবে বিঘ্ন ঘটতে পারে। এছাড়া, সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে। দেশের কোথাও কোথাও দিনে ঠান্ডা পরিস্থিতি বিরাজ করতে পারে।