সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৩০ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
ঢাকার প্রবেশমুখে মহাসড়ক অবরোধ, ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন ৭ নভেম্বর ছুটি ঘোষণা, কিন্তু সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য দুঃসংবাদ গার্মেন্টস মালিকদের সাথে সচিবালয়ে বৈঠকে বসেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কুড়িগ্রামে পুরো উপজেলায় কেবল যমজ দুই বোনই পেলেন জিপিএ-৫ ট্রাম্পের বাসভবনের অদূরে আছড়ে পড়ল উড়োজাহাজ, নিহত সবাই যুদ্ধ শুরু হলে শেষ করার সিদ্ধান্ত ট্রাম্পের হাতে থাকবে না: ইরান এক দেশে জরুরি অবস্থা জারি এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপে ফারইস্টের গোলবন্যায় ডুবলো নর্থ সাউথ ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা পোশাক শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষা ও উৎপাদন-রপ্তানি সচল রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সাইবার নিরাপত্তা আইন নিয়ে যা বললেন উপদেষ্টা নাহিদ

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১২ আগস্ট, ২০২৪

সাইবার নিরাপত্তা আইনের বিতর্কিত ধারাগুলো পুনর্বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, আমি বলেছি, সাইবার নিরাপত্তা আইনের যে ধারাগুলো নিয়ে সমালোচনা রয়েছে, সেগুলো আমাদের পুনর্বিবেচনা করতে হবে এবং তরুণদের ব্যাপকভাবে এই মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। দেশে-দেশের বাইরে আইটিতে যারা দক্ষ ও নতুন ধরনের কাজ করতে আগ্রহী, তাদের নিয়ে বিশেষ টিম গঠনের কথা আমরা ভাবছি।

সোমবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আইসিটি টাওয়ারে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের তিনি এ কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, আন্দোলনের সময় বিভিন্ন স্টার্টআপ—যারা শিক্ষার্থীদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল, তাদের প্রতি বিরূপ আচরণ করা হয়েছিল। তাদের বিনিয়োগ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল ওই সময় এবং খুবই স্বৈরতান্ত্রিকভাবে এই কাজটি করা হয়েছিল। আমরা এই বিষয়টির নিন্দা জানিয়েছি। দ্রুত তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে এবং পুনরায় তাদের সঙ্গে কাজ করার যে প্রক্রিয়া ছিল, সেটি চালু করা হবে।

সার্বিকভাবে কাঠামোগত সংস্কারের কথা আমরা বলছি; সব মন্ত্রণালয়েই যাতে এটা করা হয়।
নাহিদ বলেন, আমরা সরকারের জায়গা থেকে ভাবছি, বিদেশে বাংলাদেশি যেসব তরুণরা পড়াশোনা করছে, দক্ষতা অর্জন করেছে। তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে, দেশ গঠনের প্রক্রিয়ায় যুক্ত করা।

টেন মিনিট স্কুলে আবারো বিনিয়োগ শুরু হবে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, আন্দোলনের পক্ষে থাকার কারণে কেউ যদি বঞ্চিত হয়ে থাকেন, অবশ্যই তাদের প্রতি সুবিচার করা হবে এবং তাদের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করা হবে।

ইন্টারনেট বন্ধে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, যদি পুনরায় বিস্তারিত তদন্ত করতে হয়, সেটি করা হবে। এ ক্ষেত্রে সরকার, মন্ত্রী বা অন্য কোনো সংস্থার লোক যুক্ত হয়, তাদের অবশ্যই বিচার করা হবে। এটি মানুষের মানবাধিকারের বিষয় অবাধ তথ্যপ্রবাহ ও ইন্টারনেট নিশ্চিত করা। যারা বন্ধ করে দিয়েছে, তারা মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে এবং বন্ধ করে শত শত মানুষকে হত্যা করা হয়েছে।

অবশ্যই এই প্রক্রিয়ায় যারা জড়িত তাদের বিচার করা হবে।

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD